রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৯ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
একাধিক এলএনজি-এলপিজি জাহাজ আসছে চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় রিয়াদ এয়ার কুরআনের ওপর পা রেখে অবমাননা, দুই নারী গ্রেফতার জনপ্রিয় ছড়াকার মানসুর মুজাম্মিল আর নেই ‘জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর’ সপ্রাণ ভাষা আরবি: শেখার কিছু জীবন্ত কৌশল এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, বহিঃশক্তি যাদের সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ‍দিলো ইরান রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে হামের টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ইরানে এখনও ইসরায়েলি অভিযান শেষ হয়নি: ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু

হাজিদের সেবায় সৌদি শিশুদের অনন্য দৃষ্টান্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

saudi_children_hajjআওয়ার ইসলাম: সেবা ইসলামের অন্যতম গুণাবলির একটি। জনসেবার মধ্যে লুকিয়ে আছে মানুষের মুক্তি। হজ মৌসুমে সৌদি আরবের হাজারও কোম্পানি এবং ব্যক্তি উদ্যোগে হাজিদের সেবা দেয়া হয়। তবে এ কাজে পিছিয়ে নেই সৌদি শিশুরাও। সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানা গেছে চমকপ্রদ গল্প।

সওয়াবের আশায় কেবল বয়স্করাই সেবামূলক কর্মকাণ্ড করবেন এমনটাই সবাই মনে করেন। তবে এমন ধারণা পাল্টে দিচ্ছে সৌদি আরবের শিশুরা। তারাও এগিয়ে আসছে জনসেবায়। হাজিদের কষ্ট লাঘবে কাজ করছে প্রাণপণ।

এমনই দুই শিশুকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সৌদি গেজেট। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে তারা মক্কায় আগত হাজীদের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল এবারের হজে। নিজের কষ্টের কথা ভুলে হাজিদের কষ্ট দূর করতে কাজ করেছে।

প্রতিবেদনে প্রকাশিত দুই ভাইয়ের নাম মাজেন আল-জাহরানি ও বাসিম আল-জাহরানি। বয়স ১০ বছরের কাছাকাছি। দক্ষিণের আল-বাহা এলাকা থেকে দুজনেই মা-বাবার সঙ্গে হজ করতে আসে।

হজে এসে দুই ভাই মক্কার আজিজিয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বেছে নেয়। মিনার কাছে হওয়ায় এখানে হাজীদের বড় একটি সংখ্যা অবস্থান করে থাকেন। আর অবসর সময়ে তাদের মাঝে খাবার, পানি ও চা বিতরণ করেন দুই ভাই।

তাদের বক্তব্য, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং সওয়াবের আশায় তারা এ কাজ করেছেন। আল্লাহর এ অনুগ্রহপূর্ণ দিনগুলোতে এ কাজ করতে উৎসাহিত করেন তাদের মা-বাবা। ছোট থেকেই তারা এ কাজের তালিম পান ঘর থেকে।

মাজেন ও বাসিম জানান, হাজিদের সেবার জন্য তারা অল্প অল্প করে টাকা সঞ্চয় করেন সারা বছর। আর সেই টাকা দিয়ে কেনা খাবার, পানি ও চা হজের সময় আগত আল্লাহর মেহমানদের মাঝে বিতরণ করেন।

কেবল তারা দুজনই নয়, আরও অনেক সৌদি শিশু রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে হজের সময় এ সেবামূলক কাজ করে থাকে। তারা হাজীদের মাঝে খাবার, ফল, পানি ও কোমল পানীয় বিতরণ করে থাকে।

সেবামূলক কাজে শিশুদের উৎসাহিত করতে অনেক মা-বাবা তাদের শিশুদের এসব কিছু সরবরাহ করেন অথবা টাকা দিয়ে থাকেন। এছাড়া সেবামূলক কাজে শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে অনেক সংস্থাও এ কাজে এগিয়ে আসে।

হজ করতে আসা জর্ডানের আবু গাইদা বলেন, 'অনেক শিশুকে মিনায় হাজীদের খাবার এবং জুস দিতে দেখে আমি অত্যন্ত খুশি। এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের পূর্ব পুরুষদের ভালো কাজগুলো অব্যাহত রাখবে।'

হজ করতে আসা ফিলিস্তিনের ইব্রাহিম বলেন, 'সৌদি আরবের শিশুদের এ সেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিস্ময়ের কিছু নেই। তারা সব সময় আল্লাহর মেহমানদের সম্মান দিয়ে থাকে।'

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ