মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছেন ইমামরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

imam_kalkataআওয়ার ইসলাম: ক্ষমতায় আসার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছেন ইমাম এবং মুয়াজ্জিনরা। রাজ্যের মুসলিম ধর্মগুরুদের প্রায় ৪০টি সংগঠন মিলে আগামী ৮ নভেম্বর পথসভা করবেন কলকাতার ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে।

সম্মেলনটিতে কমপক্ষে দশ হাজার আলেম উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০১১ সালে ক্ষমতা লাভের পর রাজ্যের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য যথাক্রমে আড়াই হাজার টাকা এবং এক হাজার টাকা করে ভাতা চালু করেছিলেন। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও কিছু কম হয়নি। অল বেঙ্গল মাইনরিটি ইয়ুথ ফেডারেশন (এবিএমওয়াইএফ)-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামানের কথায়, ‘ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সাম্মানী হিসেবে যা টাকা দেওয়া হয় তা অনেক কম। গত পাঁচ বছরে তা বাড়ানো হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঝে একটা সময় ছয় মাসের জন্য ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই টাকা কী হয়েছে তা কেও জানে না।’

মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ইমামদের জন্য ‘নিজ জমি নিজ গৃহ’ প্রকল্পের মাধ্যমে জমি ও বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রবীণ ইমামরা। রাজ্যের ৫২ হাজার ইমামকে সরকারের তরফ থেকে যে ভাতা দেওয়া হয় সেই প্রক্রিয়াও এখন অনেক ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অল বেঙ্গল ইমাম এন্ড মোয়াজ্জিন সমিতি’র সভাপতি এটিএম রফিকুল হাসান।

ইমামদের মাসিক নূন্যতম ২০ হাজার টাকা ভাতার দাবি করেছেন নাখোদা মসজিদের ইমাম শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, ‘ইমামদের জন্য যে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়, সেটা খুবই কম। ইমামদের জন্য এটা অন্তত ২০ হাজার এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য ১০ হাজার টাকা করা উচিত’।

এই বিতর্কের মাঝেও রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম সৈয়দ মহম্মদ নুরুর রহমান বরকতি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই ইমামের কথায়, ‘আমরা বলতেই পারি যে সরকারের এই বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত, কিন্তু আমি মনে করি না যে এই ধরনের দাবি করাটা খুব বিচক্ষণতার কাজ হবে। কারণ অর্থ সংকটের মধ্যে রাজ্য সরকার মুসলিমদের জন্য অনেক কিছু করছে।’

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ