সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছেন ইমামরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

imam_kalkataআওয়ার ইসলাম: ক্ষমতায় আসার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছেন ইমাম এবং মুয়াজ্জিনরা। রাজ্যের মুসলিম ধর্মগুরুদের প্রায় ৪০টি সংগঠন মিলে আগামী ৮ নভেম্বর পথসভা করবেন কলকাতার ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে।

সম্মেলনটিতে কমপক্ষে দশ হাজার আলেম উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০১১ সালে ক্ষমতা লাভের পর রাজ্যের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য যথাক্রমে আড়াই হাজার টাকা এবং এক হাজার টাকা করে ভাতা চালু করেছিলেন। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও কিছু কম হয়নি। অল বেঙ্গল মাইনরিটি ইয়ুথ ফেডারেশন (এবিএমওয়াইএফ)-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামানের কথায়, ‘ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সাম্মানী হিসেবে যা টাকা দেওয়া হয় তা অনেক কম। গত পাঁচ বছরে তা বাড়ানো হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঝে একটা সময় ছয় মাসের জন্য ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই টাকা কী হয়েছে তা কেও জানে না।’

মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ইমামদের জন্য ‘নিজ জমি নিজ গৃহ’ প্রকল্পের মাধ্যমে জমি ও বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রবীণ ইমামরা। রাজ্যের ৫২ হাজার ইমামকে সরকারের তরফ থেকে যে ভাতা দেওয়া হয় সেই প্রক্রিয়াও এখন অনেক ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অল বেঙ্গল ইমাম এন্ড মোয়াজ্জিন সমিতি’র সভাপতি এটিএম রফিকুল হাসান।

ইমামদের মাসিক নূন্যতম ২০ হাজার টাকা ভাতার দাবি করেছেন নাখোদা মসজিদের ইমাম শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, ‘ইমামদের জন্য যে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়, সেটা খুবই কম। ইমামদের জন্য এটা অন্তত ২০ হাজার এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য ১০ হাজার টাকা করা উচিত’।

এই বিতর্কের মাঝেও রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম সৈয়দ মহম্মদ নুরুর রহমান বরকতি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই ইমামের কথায়, ‘আমরা বলতেই পারি যে সরকারের এই বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত, কিন্তু আমি মনে করি না যে এই ধরনের দাবি করাটা খুব বিচক্ষণতার কাজ হবে। কারণ অর্থ সংকটের মধ্যে রাজ্য সরকার মুসলিমদের জন্য অনেক কিছু করছে।’

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ