শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

১৫ দিন না খেয়ে মারা গেল রোহিঙ্গা শিশু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

cox-teknafআওয়ার ইসলাম: মিয়ানমার থেকে নৌকায় ভেসে টেকনাফে এসেছিলেন এক মা। সঙ্গে ৫ মাসের এক শিশু। বহু কষ্টে সীমান্ত পাড়ি দেয়ার পর নতুন করে স্বপ্ন দেখছিলেন মা। হয়তো বাঁচাতে পারবেন ছেলেকে। কিন্তু সেই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল। টানা ১৫ দিন না খেয়ে মারা গেছে তার কোলের সেই শিশু।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) ভোরে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (স্থানীয় ভাষায় টাল) শিশুটির মৃত্যু হয়। বিকালে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

এলাকাবাসী বলছেন, শিশুটি প্রয়োজনীয় খাবার, চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র না পেয়ে মারা যায়।

শিশুটির মা নুর বেগম জানান, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাহিনীর নির্মম অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে প্রাণ বাঁচাতে একমাত্র শিশুপুত্র জানে আলম ও অবিবাহিত এক বোনকে নিয়ে তিনি নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে সীমান্ত পাড়ি দেন।

তিনি আরও জানান, গত ২০ দিন আগে স্বামী জামাল হোসেনকে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। অপর ২ শিশুপুত্র মো. হাশিম (৫) এবং জাফর আলমকেও (৩) জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করে হত্যা করা হয়।

অবশেষে জীবন রক্ষার্থে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাংঘাট দিয়ে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বাংলাদেশে ঢুকে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে (স্থানীয় ভাষায় টাল) আশ্রয় নেয়।

অসহায় মা নুর বেগম আরও জানান, অর্ধাহারে-অনাহারে বনে-জঙ্গলে দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বুকের দুধ শুকিয়ে গিয়েছিল।

অনাহারে শিশুটি কঙ্কালসার হয়ে যায়। উপরন্ত ছিল তীব্র শীত। সঙ্গে কোনো গরম কাপড়ও ছিলো না। চিকিৎসা করারও সুযোগ হয়নি। তার কুলেই বিনা চিকিৎসায় শিশুটি মারা যায়। নুর বেগম বর্তমানে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের (অনিবন্ধিত) ‘এ’ ব্লকের একটি বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন।

লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান হাফেজ মো. আয়ুব জানান শনিবার (২৬ নভেম্বর) পর্যন্ত শুধু লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই ২ হাজারেরও বেশি অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারী-শিশু এবং স্বল্প সংখ্যক পুরুষ স্ব-স্ব আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছে।ে

আরআর

http://ourislam24.com/2016/11/27/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AA/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ