শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার

ধর্ম ও ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india2আওয়ার ইসলাম: ধর্ম বা ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন একটি ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়, তাই জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণের নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলেও রায়ে বলেন আদালত।

আজ সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় অথবা ভাষার নামে ভোট চাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

দেশটির প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। আগামীকাল মঙ্গলবার অবসরে যাওয়ার আগে দেওয়া এই রায়ে প্রধান বিচারপতি ঠাকুর বলেন, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা বাধ্যতামূলক।

রায় ঘোষণার সময় টি এস ঠাকুর আরো বলেন, ‘মানুষ এবং স্রষ্টার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ একটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্র ও নির্বাচনব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।’

রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন জনপ্রতিনিধিকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মের কোনো ভূমিকা নেই, এটা পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ কাজ। রাজ্য এবং ধর্মকে মেলানো সাংবিধানিকভাবে অনুমোদনযোগ্য নয়।

কিন্তু সাত বিচারপতির মধ্যে তিনজন এই রায়ে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, এই রায় গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের খবরে জানায়, এমন একটি সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিলেন, যখন সম্প্রতি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর এই রাজ্যগুলোর নির্বাচনে ধর্মবিশ্বাস এবং বর্ণপ্রথা একটি প্রধান সমস্যা। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের ভোটের রাজনীতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এবং পাঞ্জাবের রাজনীতিতে শিখ ও হিন্দু বিরোধ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ