রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৭ পৌষ ১৪৩২ ।। ২২ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জুলাই গণহত্যা মামলায় প্রথম একজনকে জামিন দিলো ট্রাইব্যুনাল হজ ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল, মানতে হবে নতুন নির্দেশনা ‘ওয়ান বক্স পলিসি’র রূপকার পীর সাহেব চরমোনাই দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী বৈধতা পেলেন মোসাব্বির হত্যার শুটার ও সমন্বয়কারীসহ চারজন গ্রেপ্তার দুই দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ১০৯ জন ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ গণঅভ্যুত্থানকে বাঁচিয়ে রাখতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন: পীর সাহেব চরমোনাই বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

ধর্ম ও ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india2আওয়ার ইসলাম: ধর্ম বা ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন একটি ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়, তাই জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণের নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলেও রায়ে বলেন আদালত।

আজ সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় অথবা ভাষার নামে ভোট চাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

দেশটির প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। আগামীকাল মঙ্গলবার অবসরে যাওয়ার আগে দেওয়া এই রায়ে প্রধান বিচারপতি ঠাকুর বলেন, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা বাধ্যতামূলক।

রায় ঘোষণার সময় টি এস ঠাকুর আরো বলেন, ‘মানুষ এবং স্রষ্টার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ একটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্র ও নির্বাচনব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।’

রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন জনপ্রতিনিধিকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মের কোনো ভূমিকা নেই, এটা পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ কাজ। রাজ্য এবং ধর্মকে মেলানো সাংবিধানিকভাবে অনুমোদনযোগ্য নয়।

কিন্তু সাত বিচারপতির মধ্যে তিনজন এই রায়ে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, এই রায় গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের খবরে জানায়, এমন একটি সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিলেন, যখন সম্প্রতি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর এই রাজ্যগুলোর নির্বাচনে ধর্মবিশ্বাস এবং বর্ণপ্রথা একটি প্রধান সমস্যা। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের ভোটের রাজনীতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এবং পাঞ্জাবের রাজনীতিতে শিখ ও হিন্দু বিরোধ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ