বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৩ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
পাক সেনাবাহিনীকে দায়িত্বশীল ও পরিমিত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাল আফগানিস্তান ইত্তিহাদুল উলামা বাড্ডার উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাত মাহফিল ৯ জানুয়ারি আফগানিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ তুর্কি কোম্পানিগুলোর  শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল ১২ জানুয়ারি শীতে কেন উপকারী খেজুর গুড় জকসু নির্বাচনে চার কেন্দ্রের শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে শিবির জেলা দায়িত্বশীলদের প্রতি জমিয়তের একগুচ্ছ নির্দেশনা ‘জামায়াত আমিরের বক্তব্য অজ্ঞতার শামিল, তওবা করা উচিত’ গণভোটের প্রচারে যুক্ত করা হচ্ছে ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে  বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে ৮ মুসলিমকে মারধর

‘আন্দোলনকারীরা কখনো রামপালের নির্মাণাধীন প্রকল্প পরিদর্শন করেনি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

hasina6আন্দোলনকারীরা কোনোদিনও রামপালের নির্মাণাধীন প্রকল্প পরিদর্শন করেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এটি আদৌ সুন্দরবেনের কোনো ক্ষতি করবে কি না সে বিষয়েও তারা নিশ্চিত নয়।

শনিবার দুপুরে প্রকৌশলীদের সংগঠন ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স'র (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সংগঠনের ৫৭তম জাতীয় কনভেশন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, 'রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরনের পরিবেশে আদৌ কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না।'

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সুন্দরবনের দূরত্ব এবং প্রকল্পের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হচ্ছে রামপালে, সুন্দরবনে নয়।'

তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি সুন্দরবনের বহিঃসীমার ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং সুন্দরবনের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এলাকা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে। কাজেই এই প্রকল্পের দ্বারা সুন্দরবনের কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।

সরকার দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই সময়েই একটি গোষ্ঠী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে রাজধানীতে বসে কথা তুলছে এবং বিশ্বব্যাপী এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

'তারা রাজধানীতে বসেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ...যদিও এদের মধ্যে অনেকেই কোনোদিনও রামপালে যায়নি' যোগ করেন তিনি।

বড় পুকুরিয়ার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রসঙ্গে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে দুটি সাব ক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্লান্ট থাকার পরেও সেখানকার ঘনবসতিপূর্ণ এবং সবুজ এলাকার পরিবেশে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি। উপরন্তু জমির উর্বরতা বেড়েছে এবং সেখানে এখন প্রচুর ধান উৎপাদন হয়।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ