শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

অন্ধকার বাগদাদে আলোর ফেরিওয়ালা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

 আওয়ার ইসলাম : আলি আল মোউসুকি।বয়স তার মাত্র ২৫৷ বই বিক্রি করেন বাগদাদের রাস্তায়। তিনিই হলেন এই মোবাইল বুক ট্রাকের মালিক৷ যার কাছে বই-ই একমাত্র ভালোবাসার জায়গা৷

একের পর এক বোমা হামলায় বাগদাদ অশান্ত৷ সেই অশান্তির মাঝেই শান্তির খোঁজে এই উদ্যোগ নিয়েছেন মোউসাউই৷ বাগদাদের  মোড়ে মোড়ে তিনি বই বিক্রি করেন৷   পথচলতি অনেকেই একবার হলেও তাঁর বইয়ের ট্রাকে উঁকিঝুঁকি  দিয়ে যান৷ কেউ কেউ বেশ সময়ও কাটিয়ে যান এখানে বই পড়ে৷ বাগদাদের এই অশান্তির মাঝে এই বিশেষ মোবাইল বইয়ের ট্রাকটি সাহিত্য এবং নাশকতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে৷

আলি আল মোউসুকি জানান, এই বইয়ের বিশেষ ট্রাকটি চালানোর জন্য তাঁকে অনেক বাধাবিঘ্ন পেরোতে হয়৷ নিরাপত্তারক্ষীরা মাঝেমধ্যেই তাঁর বইয়ের ট্রাকটি পরীক্ষার জন্য দাঁড় করায়৷  তবে উজ্জ্বল ঝকঝকে বইয়ের ট্রাকের আকর্ষণে অনেকেই এখানে আসেন৷

২০০৩ এর ইরাক যুদ্ধের পর বাগদাদ প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল৷ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে আবারও বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ফিরিয়ে আনতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন মোউসুকি৷ তবে প্রথমেই বুকস্টোরটি শুরু করেননি তিনি৷  প্রথমে  একটি ফেসবুক পেজ ওপেন করেন৷ যেটির নাম ‘ইরাকি বুকিশ’৷ ওই পেজেই বিপুল সাড়া পাওয়ার পরই তিনি এবার শুরু করেন এই দোকানটি৷ এরপর থেকে তাঁকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি৷

এই ধরনের একটি অভিনব উদ্যোগের পিছনে রয়েছে আরও একটি কারণ৷ তিনি মনে করেন, এমন একটি বুকস্টোর তৈরি হলে সেখানে বিভিন্ন ধরণের মানসিকতার লোক আসবে৷ এরফলে সে আরও নিত্যনতুন ধারণা পাবেন আরও অভিনব কাজ করার এবং এই বুক স্টোরটিকে আরও উন্নত করতে পারবেন তিনি৷

সম্প্রতি তিনি এই বুকস্টোর গুলিতে বই বিক্রি করারও ব্যবস্থা হয়েছে৷ এমনকি বইপত্র ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ডেলিভারি ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে৷ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে মোবাইল বুকস্টোরটি৷ চারজন কর্মীও নিয়োগ করেছেন তিনি৷ এই দোকানের আয় আপাতত চার হাজার মার্কিন ডলার৷

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ