শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ঢাকা ও কুমিল্লা বোর্ডের অভিন্ন প্রশ্নপত্র নিয়ে নতুন বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বশির ইবনে জাফর: পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে কিছুতেই কমছে না দূর্নীতি। প্রশ্নফাঁসসহ আরো নতুন নতুন জালিয়াতির উদ্ভব হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পরীক্ষায় ফিরছে না শতভাগ সুষ্ঠু পরিবেশ।

এরই ধারাবাহিকতায় এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (এইচএসসি) আরেকটি অবাক করা বিষয় যুক্ত হয়েছে! জন্ম দিয়েছে নতুন বিতর্কের।

গত এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্রের ২০১৬ সনের সিলেবাস অনুযায়ী করা ঢাকাবোর্ড-২০১৭ তে যে প্রশ্নটি এসেছে সে প্রশ্নটিই হুবহু এসেছে কুমিল্লা বোর্ড-২০১৭ তে! একটুও রদবদল নেই সে প্রশ্নে..! সৃজনশীল ৮ টি প্রশ্ন থেকে শুধুমাত্র দুটো প্রশ্ন ছাড়া বাকি ৬ টি প্রশ্নের জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতাসহ সম্পূর্ণ প্রশ্নটিই এসেছে কুমিল্লা বোর্ডে। এমনকি উদ্দীপকেও নেই কোন পরিবর্তন।
এ নিয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষক মহলে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

রাজধানীর একটি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অভিজ্ঞ একজন শিক্ষকের সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার শিক্ষকতা জীবনে এ ধরনের ৬টি প্রশ্নই হুবহু আসার ঘটনা আর আছে বলে তার জানা নেই।তাছাড়া ২০১৪ সনে সারা বাংলাদেশে একটি মাত্র বোর্ড ছিলো। প্রশ্নও ছিলো তাই অভিন্ন। যার ফলে দেখা যায় বাংলাদেশের কোথাও এক জায়গায় যদি প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায় তবে সেটি পুরো বাংলাদেশেই ছড়িয়ে পড়বে। বোর্ড ভিন্ন থাকলে এ বিষয়টি হয় না। কারণ হচ্ছে সব বোর্ডের প্রশ্ন থাকে আলাদা আলাদা।

বিষয়টি নিয়ে অন্য আরেকজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, প্রশ্ন হুবহু মিলে যাওয়ার ঘটনাটা তিনি জেনেছেন এখনো দেখেননি। তবে যদি সত্যিই এমনটি হয়ে থাকে তবে সেটি হালকা করে দেখার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার এবং ভবিষ্যতে যেন এমনটি না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দেয়াটাই হবে যথাযথ দায়িত্ব।

কারণ প্রশ্ন যদি মিলেই যায় তবে বোর্ড ভিন্ন হওয়ার দরকারটাই বা কী?

হুবহু মিলে যাওয়া পশ্নগুলো নিম্মরূপ:
D.B.Q.NO-1--------- C.B.Q.NO-2
D.B.Q.NO-2--------- C.B.Q.NO-5
D.B.Q.NO-3--------- C.B.Q.NO-7
D.B.Q.NO-4--------- C.B.Q.NO-8
D.B.Q.NO-5--------- C.B.Q.NO-1
D.B.Q.NO-6--------- C.B.Q.NO-4


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ