মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

মৃত রোগী! হেঁটে গেলেন বাড়িতে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেশ কয়েক দিন ধরে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার বাসিন্দা জয়নারায়ণ পান্ডে।

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে রেখেই বাড়িতে গিয়েছিলেন স্বজনরা। বুধবার সকালে হঠাৎ হাসপাতাল থেকে ফোন আসে। বলা হয় জয়নারায়ণ পান্ডে মারা গেছে।

মৃত্যুসংবাদ পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মৃতদেহ হস্তান্তরের আগে হাসপাতাল থেকে মৃত্যুসনদও দেওয়া হয়।

ফুল-মালা আর শববাহী গাড়ি নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। কিন্তু হঠাৎ হাসপাতালের করিডোরে তাকিয়ে সবার চোখ কপালে। সেখানে দিব্যি হেঁটে বেড়াচ্ছেন ওই ষাটোর্ধ্ব জয়নারায়ণ।

[কী লিখেছে হিন্দু মাদরাসা ছাত্রী যা নিয়ে ভারতে তোলপাড়]

মুহূর্তে সবার মাঝে খুশির রেশ ছড়িয়ে পড়লেও পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এহেন ভুলে সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।সে সময় হাসপাতাল থেকে দেয়া মৃত্যুসনদ ছিঁড়ে ফেলে দেন হাসপাতাল কর্মীরা।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জিনিউজকে জানায়, হাঁপানি এবং যক্ষ্মা রোগ নিয়ে জয়নারায়ণ গত ১৬ মে হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের ৭২ নম্বর বিছানা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সুস্থ হলে গত মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু জয়নারায়ণ পান্ডে  হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি যাননি। হাসপাতালের বারান্দায় থাকা আরেক সংকটাপন্ন রোগীকে তিনি তাঁর বিছানা ছেড়ে দেন। তবে এ কথা জানত না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার ভোরবেলা বারান্দার ওই রোগী ৭২ নম্বর বেডে মারা যান। আর ওই ৭২ নম্বরে যেহেতু জয়নারায়ণ ছিলেন, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর বাড়িতে মৃত্যুসংবাদ পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে ‘মৃত’ জয়নারায়ণের জন্য যে ফুল এনেছিল স্বজনরা, তা পরিয়েই তাঁরা জীবিত জয়নারায়ণকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। আর এ ঘটনায় তাঁরা থানায় কোনো অভিযোগ করবেন না বলেও জানিয়েছেন।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ