সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

কেন আরব রাষ্ট্রগুলো কাতার'কে বর্জন করেছে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাতার থেকে ইমরান আনোয়ার

প্লট- এক। 'মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরি', 'সন্ত্রাসবাদে মদদ যোগানো', 'বিভিন্ন দেশে ইসলামপন্থীদের সমর্থন দেওয়া'র অভিযোগে কাতারের সঙ্গে প্রতিবেশি সৌদি আরব, মিশর, আবুধাবি, বাহরাইন এবং ইয়েমেনসহ কিছু দেশ তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।

প্লট- দুই। আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে একমাত্র কাতারই এমন দেশ যেখানে এখণ পর্যন্ত আরব্য ফিতনার অভিশাপ লাগেনি।

প্লট- তিন। ভৌগলিক অবস্থান, সীমানা, সীমিত আয়তন, স্বল্পসংখ্যক জনবল নিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক নির্মাণে কাতারই সবচেয়ে বেশি পারদর্শিতা দেখিয়েছে।

প্লট- চার। কাতারকে বয়কট করার 'বোধগম্য' কারণ আছে। (ক) ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সাফল্য (খ) মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সঙ্গে সম্প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা (গ) বিশ্ব দরবারে নিজেদের মতামতকে তুলে ধরতে পারা (ঘ) একটি ক্ষীণশক্তির দেশ হয়েও আমেরিকা ও অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ভীতি উপেক্ষা করে চলা (ঙ) বিভিন্ন মুসলিম স্কলার ও নির্যাতিত মুসলমানদের পক্ষে অবস্থান ও তাঁদের অনেককে আশ্রয়প্রদান; এতসব কারণসহ আভ্যন্তরীণ আরো অনেক ব্যাপারে কাতার অন্যদের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমি 'আন্তর্জাতিক সম্পর্ক' বিষয়ে আগ্রহ রাখি। সেজন্য এ বিষয়ে খুঁটিনাটি অনেক তথ্য মনোযোগ দিয়ে পড়ি। কাতারকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে সেটি আমাদের কাছে স্পষ্ট!  জানি না সর্বশেষ পরিণতি কতটুকু ভয়াবহ হবে অথবা পূর্বের মতো কাতার আবারো সকল শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের 'কর্তৃত্ব' পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে কিনা!  একটি বিষয় নিশ্চিত, আরবের রাষ্ট্রপ্রধানরা তাদের গদিতে সমালোচনার দাগ কাটে এমন কোনো কিছুই সইতে পারে না। আমেরিকার মত সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রকে তারা মাথা ঠুকে সালাম করে; বিপরীতে সমশক্তির এবং ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারায় অংশীদার অন্যান্য দেশকে নিজেদের চেয়ে উপরে উঠে যেতে দেয় না।

ভাল অথবা মন্দ, ইসলাম কিংবা অনৈতিকতা; আরবের ক্ষমতার হেরেমে এসব কখনোই বিবেচ্য নয়। বিবেচ্য হল, আপনি কতটুকু চাটুকারিতা ও বিলাসিতাকে সমর্থন দিয়ে যেতে পারেন সেটি। আর সেজন্যই মুসলিম-ভ্রাতৃত্ব' ও ইসলামি মূল্যবোধের জয়গান গাওয়া কাতারের মত 'অবিচক্ষণ' রাষ্ট্রগুলোকে এখানে সবসময় মাশুল দিয়ে যেতে হয়।

কাতার সম্পর্কে পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ