রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

৫৮ শব্দ সৈনিকের মিললো ‘মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বেতারসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যেসব শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীগণ অবদান রেখেছেন তাদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। স্বীকৃতিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন,  চরমপত্রখ্যাত এমআর আখতার মুকুল, চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্ত, কণ্ঠশিল্পী ফকির আলমগীর ও তিমির নন্দীসহ ৫৮ জন শব্দ সৈনিক। এ পর্যন্ত মোট ২৫৩ জনকে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৪৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়।

 প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০০২ (২০০২ সালের ৮ নম্বর আইন) এর ধারা অনুযায়ী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের (স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে অংশগ্রহণকারী এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠনের শব্দসৈনিক) তালিকা প্রকাশ করলো সরকার।

এর আগে, গত বছরের ১৫ নভেম্বর ১০৮ জন শব্দ সৈনিককে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সব মিলে ২৫৩ জনকে এই স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

একাত্তরে বাঙালির স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনায় এই শব্দ সৈনিকদের গড়ে তোলা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ দেশের মুক্তিকামী মানুষকে নয়টি মাস প্রেরণা যুগিয়েছে। অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা বেতারের শব্দসৈনিকদের কণ্ঠ যুদ্ধ চলে স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত।

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ