শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মাদরাসা কী রাসুল সা. এর ঘর?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা রাসূলের ঘর।’ কথাটি কোনো কোনো ওয়াজ মাহফিলে শোনা যায়; কখনো কখনো বলেন, মসজিদের ইমাম ও মাদরাসার শিক্ষক। অনেকে একটি আরবি উদ্ধৃতিও ব্যবহার করেন,  المسجد بيت الله والمدرسة بيتي ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা আমার ঘর।’

কিন্তু আসলে কি দাবি করা যায়, ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা রাসুলের ঘর’?

এখানে লক্ষণীয় যে, উপরোক্ত কথায় দু’টি বাক্য রয়েছে। প্রথম বাক্যটি হল, ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর’। এটি কুরআন ও হাদীস দ্বারা সমর্থিত । প্রায় এর কাছাকাছি শব্দ বিভিন্ন হাদীসেও বর্ণিত হয়েছে।

কিন্তুদ্বিতীয় বাক্য অর্থাৎ ‘মাদরাসা রাসূলের ঘর’ এটি কোনো হাদীস নয়। কেউ এটাকে হাদিস হিসেবে বললে ঠিক হবে না। তবে এটাও ঠিক ‘মাদরাসা’ যেখানে দীনি তালিম-তরবিয়ত হয়, কুরআন-হাদিসের শিক্ষা দেয়া হয়, আল্লাহ ও রাসূলের কথা আলোচনা হয় তা নিঃসন্দেহে বরকতময় স্থান।

এ সকল স্থান ফেরেশতারা ঘিরে রাখেন এবং সেখানে আল্লাহর রহমত ও সাকিনা (প্রবৃদ্ধি ও শান্তি) অবতীর্ণ করেন।

অতএব ঐসব ঘরও আল্লাহ ও রাসূলেরই ঘর। কিন্তু তাই বলে ‘মাদরাসা রাসুলের ঘর’ বাক্যটিকে হাদিস হিসেবে বলার সুযোগ নেই। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাটি বলেছেন তার কোনো প্রমাণ নেই। আর মসজিদ-মাদরাসার মধ্যে এভাবে বিভাজনও অনুচিত।

সূত্র :  মাসিক আল কাউসার


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ