মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফুল ফুটবেই আওয়ার ইসলামের মাল্টিমিডিয়ায় মোজো রিপোর্টার নিয়োগ  মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দেশে আনার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ‘জ্বালানি সংকটে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন রপ্তানিকারকরা’ ফতোয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশ্নকারীর মানসিক অবস্থা বিবেচনার আহ্বান কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স

বাবা হারা শিশু সুমাইয়াই এখন ছয় সদস্যের প্রধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

টেকনাফ প্রতিনিধি: জন্মদাতা পিতাকে হারিয়ে দশ বছরের রোহিঙ্গা শিশু সুমাইয়া আক্তার এখন ৬ সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের প্রধান। যে বয়সে তার বাবা-মায়ের তত্বাবধানে থাকার কথা, সে বয়সেই সে নিজের মাসহ ভাই ও বোনদের দায়িত্ব কাধে নিয়ে ঘানি টানছে।

মিয়ানমার মংডুর বুচিডং থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসা সুমাইয়া তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বালুখালী শরনার্থী শিবিরে থাকেন।

বাবার অনুপস্থিতিতে দশ বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তার এখন তার ছয় সদস্যের পরিবারের প্রধান দায়িত্বে থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়াচ্ছে।

পরিবারের অপর সদস্যরা হচ্ছে ভাই মোহাম্মদ ফারুক (৭), গিয়াস উদ্দিন (৬), ইয়াসিন (৫), নুর ইয়াসমিন (৩)।

বুচিডং এর বাড়ীতে মিয়ানমারের সেনা-পুলিশের গুলিতে আগে মারা যায় এই পাচঁ রোহিঙ্গা শিশুর বাবা বশির আহমদ (৩৩)। বাবা নিহত হওয়ার পর সুমাইয় আক্তারের মা হাসিনা আক্তার (২৫) পরিবারদের নিয়ে কয়েক সপ্তাহ আগে চলে আসেন বাংলাদেশে।

সুমাইয়া আক্তার জানায়, বুচিডং এর পাশের গ্রামে আমাদের বাড়ি ছিল। এখানে আসার আগে আমার বাবাকে মগরা কেটে হত্যা করেছে। এখন মা, ভাই-বোনদের নিয়ে বালুখালী ক্যাম্পে থাকি। মা, ভাই বোনদের দেখা শুনা আমাকেই করতে হয়। পরিবারের সব খরচ আমাকে জোগাড় করতে হয়।

আমরা ক্যাম্পে যে পরিমান খাদ্য সামগ্রী পাই, তা দিয়ে আমাদের সংসার চলে না। তাই আমি ক্যাম্প থেকে বিভিন্ন জিনিস পত্র নিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিক্রি করি।

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় ১৭ নভেম্বর দুপুরে এই রোহিঙ্গা শিশু সুমাইয়া আক্তারের সাথে আলাপকালে এসব তথ্য জানা যায়।

সরকার এখন পর্যন্ত এতিম ও অভিভাবকহীন রোহিঙ্গা শিশুকে সনাক্ত করেছে। এসব শিশুদের কারো হয়তো বাবা নেই, কারো মা নেই এমনি কি বাবা- মা দুইজনই নেই। আবার অনেক শিশু আছে যাদের বাবা- মা থাকলেও সীমান্তের ওপারে কিংবা এপারে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা জানান, এসব শিশুদের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় এনে তাদের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ