শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা

দেওবন্দ কারো বিরোধিতার পরোয়া করে না : মুফতি নোমানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: ঐতিহাসিক দীনি বিদ্যাপীঠ ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের দেয়া বিভিন্ন বিষয়ে ফতোয়ার বিরোধিতায় এবার মাঠে নেমেছে বিজেপি।

বিজেপির রাজনৈতিক মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠি দারুল উলুম দেওবন্দকে আদিম যুগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংকীর্ণ চিন্তার অধিকারী অভিযুক্ত করে বলেন, দেওবন্দ পুরো ভারতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তার কাজ হলো সমাজের অন্ধকার দূর করা, আলো ছড়ানো। কিন্তু দেওবন্দ অন্ধাকার দূর করার পরিবর্তে নানা সময়ে ফতোয়া জারি করে মুসলিম সমাজে আরো অন্ধকার ছড়াচ্ছে!

তার এ হটকারিমূলক বক্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ করেছেন ভারতীয় উলামায়ে কেরাম।

এ বিষয়ে দেওবন্দের মুহতামিম আল্লামা মুফতি আবুল কাসেম নোমানি বলেছেন, কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি দারুল উলুম সম্পর্কে কী ধারণা রাখে তা দেখার বিষয় নয়। কুরআন হাদিসের আলোকেই ফতোয়া প্রদান করা হয়। দেওবন্দও ইসলামি শরিয়ত তথা কুরআন হাদিসকে সামনে রেখে ফতোয়ার কাজ করে যাবে। এক্ষেত্রে দেওবন্দ কারো পরোয়া করে না।

এব্যাপারে মাহনামা দারুল উলুমের মুখপাত্র মাওলানা নাদিম আল ওয়াজদি বলেছেন, দীনি মাদারিসের উপর এধরনের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। আমরা এতে মোটেও চিন্তিত নই। বরং আমরা মনে করি ইসলাম ১৪ শ’ বছর পুরনো একটি আসমানি ধর্ম। আর আমরা সেই সঠিক ধর্মের অনুসারী। সুতরাং আমাদের শিক্ষা আসমানি শিক্ষা হওয়ায় তাও ১৪ শ’ বছরের পুরনো এবং ভেজালমুক্ত শিক্ষা।

আর ইসলামের শিক্ষা কখনোই যুগ চাহিদার বিপরীতে ছিলো না। ইসলামি শিক্ষা সব যুগেই সমভাবে ফিট হয়। এবং ইসলামি শিক্ষাকে  কোনভাবেই সংকীর্ণ শিক্ষা বলার সুযোগ নেই। যারা অভিযোগ করে তাদেরই জ্ঞানের দৈন্যতা রয়েছে।

মিল্লাত টাইমস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ