শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৮০ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃক্ষ হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার নেপালে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু

‘ব্রিটিশ মিডিয়ায় মুসলমানদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম

কিছু ব্রিটিশ মিডিয়ায় মুসলমানদের এতটাই নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে যা ২০১১ সালের নাইন-ইলেভেনের সময়কার চেয়ে বেশি। এমনকি কিছু কিছু সম্পাদক রিপোর্টারদের এ ব্যাপারে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে নিউজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন টরি দলের সাবেক কো-চেয়ারম্যান এবং হাউজ অব লর্ডসের সদস্য সাইয়েদা ওয়ার্সি।

মঙ্গলবার হাউজ অব কমন্সের হোম অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক কমিটির কাছে হেট ক্রাইম ও এর মাধ্যমে সৃষ্ট সহিংসতার পরিণতি সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ওয়ার্সি বলেন, ব্রিটিশ মুসলিমরা প্রতিনিয়ত কিছু প্রিন্স মিডিয়ার টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন।

ওয়ার্সি বলেন, এ সব নিম্ন মানসিকতার খবর পড়তে গিয়ে তার ঘণ্টার ঘণ্টা ব্যয় হয়েছে। এক সময়কার নেতিবাচক খবরগুলো এখন প্রতিদিনকার খবরের শিরোনামে পরিণত হয়েছে।

দ্য ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টের চেয়ারম্যান ক্রিস ফ্রস্ট বলেছেন, বিষয়টি এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

ফ্রস্ট ওই কমিটিকে বলেন, তিনি এমন কিছু তথ্য পেয়েছেন যা আতঙ্কজনক। কারণ কিছু সম্পাদক রীতিমতো প্রতিবেদকদের দিক-নির্দেশনা দিয়ে এ ধরনের নিউজ করান।

তিনি বলেন, পত্রিকা বিক্রির কৌশল হিসেবে আইএসের দায় মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে খবর ছাপানো হচ্ছে। লোকজনকে বিশ্বাস করা হচ্ছে যে, মুসলমানরা তাদের (ব্রিটিশ) জন্য ঝুঁকি।

ফ্রস্ট আরো বলেন, প্রায় ৬৪ শতাংশ ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিম সম্পর্কে জানে। অনেকেই এর বাইরে জানারও চেষ্টা করে না। তাই গণমাধ্যমে মুসলমানদের সম্পর্কে কী বলা হচ্ছে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তুর্কি গণমাধ্যম আনাদলুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্সি ও ফ্রস্ট বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করে বলেন যে, দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রেস স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (আইপিএসও) মুসলিমবিরোধী এসব ভুয়া খবর প্রকাশের বিষয়টি হ্যান্ডেল করতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ব্রিটেনে মুসলমানদের টার্গেট করে হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষ করে, গত বছর ম্যানচেস্টার ও লন্ডন ব্রিজে সন্ত্রাসী হামলার পর এ ঘটনা বেড়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ