শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ফেসবুকে যে বার্তা দিয়ে গেছে শহীদ মুজ্জাম্মিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফুল ইসলাম রিয়াদ
সহ সম্পাদক

শহীদ মুজ্জাম্মিল এক বিস্ময়কর বালক। ওর জীবন ও কল্পনার ভাঁজে ভাঁজে খোঁজে পাই শহীদি তামান্নার গভীর আকর্ষণ। মনের গভীরে থাকা সুপ্ত প্রেম কাছে টেনে নিল প্রিয় মাওলার।

আল্লাহর প্রতি তার সোজা ভাব বিনিময় আমার মত অনেককেই আপ্লুত করবে নিশ্চই-

{আছি মাওলার খরে খরে, দেখি মাওলা কি করে}

শহদি মুজ্জাম্মিলের ফেসবুক টাইমলাইনের ইন্ট্রতে রয়েছে বাক্যটি। বাক্যটি খুব গভীর থেকে উপলব্ধি করতে হবে বন্ধু। এর মানে আমরা খোঁজে পাইনি বোধ হয় তখনও। আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে ধরা দিল আমাদের কল্পিত হৃদয়ের গহিনঘরে।

বিশ্বাস জাগে! লেখাটির উৎসে রয়েছে প্রেমের এক নিখাঁদ বাঁধন। মাওলার তরে পাঠানো আরজি নিষ্ক্রিয় আমলের তোহফা নয়, অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রাপ্তি। এ আশাটি যেদিন আসমানে পাঠিয়েছিল শহীদ মুজ্জাম্মিল সেদিনই মাওলার দরবার ছেয়ে গেছিল অনুভবের আবেশে।

প্রস্তুতি চলছিল সেদিন থেকেই- ‘দেখি মাওলা কি করে’ এর প্রতিদান প্রদানের পথ অনুসন্ধানের।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন মাওলার কাছে তার আরেকটি আবেদন পৌঁছে, সেটা ছিল- মরণ ফি সাবিলিল্লাহ। আরজির ভাষা- (আল্লাহ পাকের তরে যেন এ জীবন উৎসর্গ করতে পারি)

চাহিদাপূরণে আল্লাহ পাক বিলম্ব করেনি। সপ্তাহ পেরোনোর আগেই তার আশার প্রতিফলন ঘটালেন।

আমাদের প্রিয় ভাই মুজ্জাম্মিল আজ শহীদি কাফেলার একজন গর্বিত সদস্য। আমি তার প্রাণহীন দেহে খোঁজে পেয়েছি- ‘বাল আহইয়ায়ুন অলাকিন লা তাশ’য়ূরুন।’

আমি তার মুখাবয়বে হাসির ঝিলিক দেখতে পেয়েছি! আধো আধো চোখে তাকিয়ে বলছিল আমি মরিনি। চেয়ে আছি তোমাদের পানে। এসো বন্ধু! আমার এপথ ধরে। আদর্শ গ্রহণ কর সাহাবাদের রা.।

যাদের ব্যাপারে কুরআনের ভাষা- ‘আশিদ্দা’উ আলাল কুফফারি রুহামা’উ বাইনাহুম।’

হকের হয়ে কথা বলতে শেখো। নাহকের মূলোচ্ছেদ ঘটাও। সূক্ষ্মভাবে আঘাত করা হচ্ছে আমার ধর্মে। অতিপ্রেমের মোড়কে মানবহৃদয়ে লালিত হচ্ছে বিদআত ও শিরক। উদারতার নামে বিলীয়মান হচ্ছে ধর্ম।

সত্যের জন্য হও চির কঠোর হে বন্ধু! ধর্মের স্বচ্ছতা টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনে মৃত্যুকে শক্তি হিসেবে সঞ্চয় কর। তুমি একা মরবে, বেঁচে যাবে এক জাম্মি গাফির। তোমার চেতনায় জেগে ওঠবে লাখো প্রাণ।

জান্নাতি বন্ধুটি ভাল থাকুক প্রেমিকের প্রেমবাগানের ফুল হয়ে। পাখি হয়ে উড়ুক ডানা মেলে জান্নাতের প্রান্তে প্রান্তে। মাওলার তরে ফরিয়াদ- যেনো আমরাও শহীদি মৃত্যু পাই।

শহীদ মোজ্জাম্মেল আলী রহ. জানিয়ে গেল কওমী ছাত্রের পরিচয়!


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ