মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

শেখ ফরিদকে হত্যা করল কুমিল্লার 'জিন হুজুর'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামে মাহবুবুর রহমান নামের এক ভণ্ড কবিরাজ কর্তৃক শেখ ফরিদ নামে ৩ বছরের শিশুকে দুষ্টুমি কমানোর নামে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।

শিশু মাহবুবুর রহমান জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের প্রবাসী জামাল হোসেনের একমাত্র সন্তান।

এ ঘটনায় পুলিশ ভণ্ড কবিরাজের খাদেমসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে জিন হুজুরখ্যাত ওই ভণ্ড কবিরাজ। রোববার দুপুরে শিশুর ময়নাতদন্ত করা হয়।

ভণ্ড কবিরাজ মাহবুবুর রহমান জেলার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া গ্রামের বাড়িতে গড়ে তোলেন জিন-ভূত তাড়ানোর অপচিকিৎসার আস্তানা। তিনি সব মহলে জিন হুজুর নামে পরিচিত।

এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় জিন হুজুরসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

জানা গেছে, ছোট্ট শিশু শেখ ফরিদ বেশি দুষ্টুমি করতো। এতে শিশুর মা রোজিনা বেগম শিশুর দুষ্টুমি কমানোর জন্য গত শুক্রবার সকালে বারপাড়া গ্রামের কবিরাজ মাহবুবুর রহমানের নিজ বাড়ির আস্তানায় নিয়ে যান।

এরপর কবিরাজ শিশুর মায়ের কথা শুনেন এবং ওই শিশুর দুষ্টুমি কমাতে হলে শিশুকে ৩ দিন তার কাছে রাখতে হবে বলে শর্ত দেন। এতে শিশুর মা সম্মত হয়ে ওই শিশুকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়ি চলে যান।

শিশুর মা রোজিনা আক্তার জানান, ওইদিন রাতে মোবাইল ফোনে কবিরাজের কাছে ছেলের অবস্থা জানতে চাইলে কবিরাজ বলেছে- আপনার ছেলে ভালো আছে। চিকিৎসা চলছে, রোববার এসে নিয়ে যাবেন। তার দুষ্টুমি কমে গেছে, সে একেবারে ভদ্র ও শান্ত হয়ে গেছে।

রোজিনা আক্তার আরও জানান, পরদিন শনিবার সাদা কাপড়ে (কাফন) মোড়ানো অবস্থায় আমার সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে পাঠায় কবিরাজ মাহবুব এবং সে মোবাইল ফোনে আমাকে জানায়, শেখ ফরিদকে সকালে জিনে মেরে ফেলেছে, গোসল ও জানাজা হয়ে গেছে, দাফন করে দিন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবু ছালাম মিয়া জানান, এ ঘটনায় শিশুর মা রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পলাতক ভণ্ড কবিরাজ মাহবুবুর রহমানকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে। জাগো নিউজ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ