শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার

শেখ ফরিদকে হত্যা করল কুমিল্লার 'জিন হুজুর'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামে মাহবুবুর রহমান নামের এক ভণ্ড কবিরাজ কর্তৃক শেখ ফরিদ নামে ৩ বছরের শিশুকে দুষ্টুমি কমানোর নামে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।

শিশু মাহবুবুর রহমান জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের প্রবাসী জামাল হোসেনের একমাত্র সন্তান।

এ ঘটনায় পুলিশ ভণ্ড কবিরাজের খাদেমসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে জিন হুজুরখ্যাত ওই ভণ্ড কবিরাজ। রোববার দুপুরে শিশুর ময়নাতদন্ত করা হয়।

ভণ্ড কবিরাজ মাহবুবুর রহমান জেলার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া গ্রামের বাড়িতে গড়ে তোলেন জিন-ভূত তাড়ানোর অপচিকিৎসার আস্তানা। তিনি সব মহলে জিন হুজুর নামে পরিচিত।

এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় জিন হুজুরসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

জানা গেছে, ছোট্ট শিশু শেখ ফরিদ বেশি দুষ্টুমি করতো। এতে শিশুর মা রোজিনা বেগম শিশুর দুষ্টুমি কমানোর জন্য গত শুক্রবার সকালে বারপাড়া গ্রামের কবিরাজ মাহবুবুর রহমানের নিজ বাড়ির আস্তানায় নিয়ে যান।

এরপর কবিরাজ শিশুর মায়ের কথা শুনেন এবং ওই শিশুর দুষ্টুমি কমাতে হলে শিশুকে ৩ দিন তার কাছে রাখতে হবে বলে শর্ত দেন। এতে শিশুর মা সম্মত হয়ে ওই শিশুকে কবিরাজের কাছে রেখে বাড়ি চলে যান।

শিশুর মা রোজিনা আক্তার জানান, ওইদিন রাতে মোবাইল ফোনে কবিরাজের কাছে ছেলের অবস্থা জানতে চাইলে কবিরাজ বলেছে- আপনার ছেলে ভালো আছে। চিকিৎসা চলছে, রোববার এসে নিয়ে যাবেন। তার দুষ্টুমি কমে গেছে, সে একেবারে ভদ্র ও শান্ত হয়ে গেছে।

রোজিনা আক্তার আরও জানান, পরদিন শনিবার সাদা কাপড়ে (কাফন) মোড়ানো অবস্থায় আমার সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে পাঠায় কবিরাজ মাহবুব এবং সে মোবাইল ফোনে আমাকে জানায়, শেখ ফরিদকে সকালে জিনে মেরে ফেলেছে, গোসল ও জানাজা হয়ে গেছে, দাফন করে দিন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবু ছালাম মিয়া জানান, এ ঘটনায় শিশুর মা রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পলাতক ভণ্ড কবিরাজ মাহবুবুর রহমানকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে। জাগো নিউজ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ