রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

দারোগার থাপ্পড়ে বধির কিশোর হাসপাতালে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকুন্দিয়ায় মুখলেছুর রহমান নামে থানার এক এএসআই এর বিরুদ্ধে বধির কিশোরকে থাপ্পড় দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলার অভিযোগ ওঠেছে। নির্যাতনের শিকার কিশোরটির নাম মোফাজ্জল মিয়া (১৩)। সে উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের মান্দারকান্দি গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর অজ্ঞান অবস্থায় ছেলেটিকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনেরা।

গতকাল রাতে তার মা দেলোয়ারা বেগম জানান, সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে এসে পাকুন্দিয়া থানার এএসআই মুখলেছুর রহমান তার স্বামী মিলন মিয়ার খোঁজ করেন। এ সময় তার বধির ছেলে মোফাজ্জলকে দারোগা মুখলেছ তার বাবা কোথায় জিজ্ঞেস করেন।

মোফাজ্জল কানে কিছু শুনতে পায় না। তাই দারোগার প্রশ্নে সে কিছু বুঝতে না পেরে নিরুত্তর দাঁড়িয়ে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এএসআই মুখলেছুর রহমান তার ছেলে মোফাজ্জলের কানচাপায় প্রচণ্ড জোরে থাপ্পড় মারেন। দারোগার থাপ্পড়ে ঘটনাস্থলেই মোফাজ্জল লুটিয়ে পড়ে।

এ পরিস্থিতিতে দারোগা তড়িঘড়ি করে তাদের বাড়ি থেকে চলে যান। পরে এলাকাবাসী মোফাজ্জলকে কটিয়াদী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে।

 

কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ