আতা হাসিন: অস্ট্রেলিয়ার নাম করা এক মুসলিম লেখিকা ও সমাজকর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেয়নি দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরই তাকে আরেকটি বিমানে উঠিয়ে ফেরত পাঠায় মার্কিন কর্মকর্তারা।
ইয়াসমিন আবদুল মজিদ (২৭) এক টুইটার পোস্টে জানিয়েছেন, মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিস বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরই তাকে ফেরত পাঠানো হয়। তার মোবাইল ফোন ও পাসপোর্ট জব্দ করেছে মার্কিন ইমিগ্রেশন বিভাগ।
নিউ ইয়র্কে পেন ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার আয়োজনে অনলাইনে মুসলিম বিদ্বেষের প্রতিকার ও পশ্চিমা সমাজে মুসলিম তরুণীদের সমস্যা বিষয়ে আলোচনা করার কথা ছিল ইয়াসমিনের। মার্কিন কাস্টমস কর্মকর্তারা বলেছেন, তার যথাযথ ভিসা ছিল না যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য।
তবে পেন আমেরিকার প্রধান সুজান নসেল জানিয়েছেন, আগেও একই ধরনের ভিসায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করেছেন।
সুদানে জন্ম নেয়া ইয়াসমিন ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হয়েছন। পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এই লেখিকা একবার কুইন্সল্যান্ড রাজ্য থেকে ইয়াং অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ারও নির্বাচিত হয়েছেন।
গত বছর থেকে তিনি লন্ডনে বসবাস করলেও ব্যবহার করছেন অস্ট্রেলীয় পাসপোর্ট। এর আগে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের উপস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন ইয়াসমিন। অস্ট্রেলিয়া সরকারের অস্ট্রেলিয়ান-আরব কাউন্সিলেরও সদস্য ছিলেন তিনি।
অারো পড়ৃন- দাওরায়ে হাদিস মডেল টেস্ট-৬ [মুসলিম ২য় খণ্ড]