শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

মাত্র ৪৫০০ টাকায় সাইকেল চলবে ব্যটারিতে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রিক ব্যাটারি চালিত সাইকেল (ই-বাইক)। পরিবেশবান্ধব এই বাইনটি যাতায়াত খরচ অনেকাংশে কমিয়ে আনে।

কিন্তু আমদানিকৃত বিদেশি ইলেকট্রিক সাইকেলের দাম আকাশচুম্বী। ফলে সাধ থাকলেও সাধ্য হয়ে ওঠে না। আবার অনেকেই সাইকেলটিকে ই-সাইকেল রূপান্তর করে নিতে পারছেন না।

কারণ ই-সাইকেল তৈরির যন্ত্রাংশের দাম হাজার দশেকের বেশি। এই সমস্যার সমাধানে সাশ্রয়ী দামে ইলেকট্রিক বাইক তৈরির যন্ত্রাংশ বিক্রি করছে দেশি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘ডিএমআরই’।

এই যন্ত্রাংশ অনায়াসেই যেকোনো সাইকেলে সংযোজন করে ই-বাইক বানিয়ে নেয়া যাবে। সাইকেল মেকানিক্সের সহায়তায় কিংবা নিজে নিজেই এই যন্ত্রাংশ সংযোজন করা যাবে।

সাধারণ সাইকেলকে ইলেকট্রিক ব্যাটারি চালিত সাইকেল তৈরির মটর এবং কমপ্লিট সেট তৈরি করেছে ডিএমআরই। তাদের এই ই-বাইক এক চার্জে চলবে ৫০ কিলোমিটার। এর মোটর ছোট আকারের। ফলে সাইকেলের পেছনের চাকায় সহজেই লাগানো যাবে।

তবে এই যন্ত্রাংশের সঙ্গে ব্যাটারি নেই। আছে মোটর ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ। আলাদাভাবে ১২ ভোল্টের দুটি ব্যাটারি কিনে লাগাতে হবে। ১২ ভোল্টের রিচার্জেবল ড্রাইসেল ব্যাটারির দাম ১৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

ডিএমআরই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকতা জি এ টুটুল বলেন, পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক সাইকেলের কদর বিশ্বজোড়া। গ্রাম-গঞ্জে শিক্ষার্থীরা সাইকেলে চেপে রোজ স্কুল-কলেজে যায়। দীর্ঘপথ সাইকেল চালানোর ফলে তারা ক্লান্ত হয়ে যায়।

আমাদের ই-সাইকেলের কিট সাইকেলে সংযোজন করলে সময় যেমন বাঁচবে তেমনি যাত্রার ক্লান্তি থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে।

জি এ টুটুল আরো বলেন, ধরুন আপনি ই-সাইকেল নিয়ে বের হলেন কিন্তু পথে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেল। ভয় নেই। সাধারণ সাইকেলের মতোই প্যাডেল ঘুরিয়ে বাকি পথ পাড়ি দেওয়া যাবে।

টুটুল জানান, তাদের ই-সাইকেল কিটে রাতে পথের অন্ধকার দূর করতে রয়েছে হেড লাইট। পথচারীদের সতর্ক করার জন্য আছে হর্ন। এছাড়াও চলতি পথে মোবাইল ফোন চার্জ দেয়ার জন্য রয়েছে চার্জার।

আরো পড়ুন-  মোবাইল পানিতে পড়ে গেলে আপনার যা করণীয়


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ