মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

সেহরি খাওয়া অবস্থায় আযান হয়ে গেলে কী করবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  ফজরের আযান পর্যন্ত সেহরি খাওয়া যায় এমন একটি কথা জনসাধারণ্যে প্রচলিত আছে। মুলত অনেকটা একারণেও অনেকেই সময়ের প্রতি লক্ষ্য না রেখে আযান পর্যন্ত সেহরি খেতে থাকেন।

এমতাবস্থায় ফজরের আযান হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করে পুরো দিন যথারীতি রোযা পালন করতে হবে। তবে শেষ সময়ের পর ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলক্রমে পানাহার করায় রোযা ভঙ্গ হয়েছে।

তাই এই রোযাটি রমযানের পর পুনরায় কাযা আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু আযান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাযার সঙ্গে কাফফারাও আদায় করতে হবে। যেহেতু প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোযা ভাঙ্গা হয়েছে।

জানা আবশ্যক যে, আযান কখনও সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না। আযান ফজরের ওয়াক্ত আসারও একটু পরে দেওয়া হয়। কারণ সেহরির সময় বাকি থাকলে ফজরের ওয়াক্ত হয় না। আর ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দিলে আযান আদায় হবে না।

মনে রাখতে হবে, আযান হলো ফজরের নামাযের জন্য, সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য নয়। তাই সেহরি তার আগেই বন্ধ করতে হবে। উল্লেখ্য, হাদিস শরিফে যে আযানের পরও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আযান, ফজরের আযান নয়, যার প্রচলন এখনও মক্কা ও মদিনায় রয়েছে।-সুত্র: ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী।

আরও পড়ুন : সেহরীর সময় মানুষকে জাগাতে কুরআন পাঠ ও বারবার ইলান করার হুকুম কী?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ