রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে এক দিনে বছরের সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ৩ ‘ই-কমার্সে জালিয়াতি বন্ধ করতে ৩ ধাপে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার’  গুম প্রতিরোধে বাতিল অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি খেলাফত মজলিসের দুর্যোগসহ জরুরি পরিস্থিতিতেও দেশে খাদ্যের ঘাটতি হবে না: খাদ্যমন্ত্রী ‘বাদপড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে’  আগামী শিক্ষাবর্ষেই দেশজুড়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে: ববি হাজ্জাজ হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা সরকারের এবার নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ১১তম অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মহিমার গান

কাঠুরিয়া বাবার ছেলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সজিব চন্দ্র রায়। দরিদ্র কাঠুরিয়া বাবা এবং দিনমজুর মায়ের সন্তান হয়েও এবারের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অসামান্য সাফল্য লাভ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ।

চরম দারিদ্রতা কোনোভাবেই থামাতে পারেনি তার অদম্য ইচ্ছা ও তার মেধাশক্তি। তবে মেডিকেলে কৃতিত্বের সাথে ভর্তির সুযোগ পেয়েও এখন তার স্বপ্ন দারিদ্রতার অভিশাপে দুঃস্বপ্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম কাঠগড় রাজাপুকুর। এই গ্রামেই একেবারে চরম দরিদ্র পরিবারে ২০০০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম সজিব চন্দ্র রায়ের।

বাবা মনোধর চন্দ্র রায় সংসারের ভরণ-পোষণ নির্বাহের জন্য একসময় রিকশাভ্যান চালান। ছেলের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে সেই রিকশাভ্যান বিক্রি করে এখন শুধুমাত্রা কাঠুরিয়ার কাজ করেন।

এরপরও সংসারের আহার সংকুলান না হওয়ায় মা চারুবালা রায়কে যেতে হয় কৃষি শ্রমিক হিসেবে দিনমজুরের কাজ করতে। দারিদ্রতার এই চরম অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং এই অভিশাপ কাটিয়ে সমাজে কিছু দিতে সজিব চন্দ্র রায় স্বপ্ন দেখেন বড় হয়ে চিকিৎসক হওয়ার।

কৃতি শিক্ষার্থী সজিব চন্দ্র রায় যুগান্তরকে বলেন, চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে একবার সে চরম অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে তারা বাবা-মা।

অর্থাভাবে ঠিকমত চিকিৎসাও করাতে পারছিলেন না দারিদ্রতার অভিশাপে অভিশপ্ত বাবা-মা। তখন থেকে তার ইচ্ছা- বড় হয়ে চিকিৎসক হবে এবং দেশের মানুষের সেবার পাশাপাশি পরিবারকে দারিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করবে।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে চিকিৎসক হওয়ার অদম্য ইচ্ছা শক্তি নিয়েই লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করে সে। চরম দারিদ্রতার মধ্যেও তার অদম্য ইচ্ছা আর প্রবল মেধাশক্তির ফলে এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তিতলি সকল সমুদ্রবন্দরে ৪নং সতর্ক সঙ্কেত

[মালিবাগে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক হিজামা সেন্টার। নবীজি সা. নির্দেশিত এ চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে সুস্থ থাকুন। হার্টের রোগ, কিডনির, লিভারের ও স্ট্রোকসহ শরীরের বাত ব্যথার জন্য খুবই উপকারী হিজামা: যোগাযোগ ০১৮৫৮১৪১৮৪৬]


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ