বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল ও ভর্তি স্থগিত চেয়ে রিট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল ও ভর্তি স্থগিত চেয়ে রিট করা হয়েছে।

রোববার (২১ অক্টোবর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন ওই ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হওয়া এক ভর্তিচ্ছুর বাবা। রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এর আগে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু নোটিশের জবাব পাইনি। তাই রিট করেছি।

রিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০০৮-০৯ সেশনের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভর্তি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিতে আবেদন করা হয়েছে। রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষা সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে।

এর আগে ১৮ অক্টোবর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন ওই আইনজীবী।

আইনি নোটিশে তিনি বলেছিলেন- তার মেয়ে আনিকা বিনতে ইউনুস ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দেয়। সে খুব মেধাবী ছাত্রী কিন্তু তাকে পরীক্ষায় ফেল দেখানো হয়েছে। সে ভিকারুন্নিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মেধাবী ছাত্রী। সে ফেল করার মতো ছাত্রী নয়।

উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠলেও কর্তৃপক্ষ আমলে নেয়নি। পরে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে আটক করলে শাহবাগ থানায় মামলা হয়।

এর পর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে ফল প্রকাশ স্থগিত রাখলেও পরে ১৬ অক্টোবর ফল প্রকাশ করা হয়।

এ ইউনিটের ফল বিশ্লেষণ করেও মিলেছে বিস্ময়কর তথ্য। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মেধা তালিকায় প্রথম ১০০ জনের মধ্যে অন্তত ৭০ জনেরই ফল প্রশ্নসাপেক্ষ। তারা ইতিপূর্বে  নিজ নিজ ইউনিটে পাস নম্বরও তুলতে পারেননি।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, এমন অসঙ্গতিপূর্ণ ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে দেখা যায়নি।

এ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অনশন করছেন শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছে কয়েকটি ছাত্র সংগঠন।

জেএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ