মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭ জেলায় পানিবন্দি দেড় লক্ষাধিক পরিবার, অর্ধশতাধিক নিহত আজও রাজশাহীতে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ ফের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ

মিয়ানমারের বিচারে পিআইএলপিজি’র আদালত স্থাপনের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রাখাইনে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে জরুরি ভিত্তিতে একটি অপরাধ আদালত স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে এ ঘটনায় তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একটি মানবাধিকার সংস্থা।

দ্য পাবলিক ইন্টারন্যাশনাল ল অ্যান্ড পলিসি গ্রুপ (পিআইএলপিজি) নামের এ সংস্থাটি সোমবার এক প্রতিবেদনে বলেছে-রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে সেখানে যুক্তিসংগত প্রমাণ রয়েছে।

রাখাইনে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজারখানেক রোহিঙ্গার সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যেভাবে মূল্যায়ন করছে, সেটিকে আরও কঠোর করতে চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটনভিত্তিক মানবাধিকার গ্রুপটি গণহত্যার পরিভাষাটি ব্যবহার করেছে। যাতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে মার্কিন সরকার বাধ্য হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), জাতিসংঘের অস্থায়ী ট্রাইব্যুনাল, আন্তঃদেশীয় সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতি কিংবা অভ্যন্তরীণ ট্রাইব্যুনালও এসব কার্যক্রমের অংশ হতে পারে।

রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের সব ধরনেরে অভিযোগ অস্বীকার করেছে মিয়ানমার। তারা বলছে-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তারা এ অভিযান চালিয়েছে।

তবে ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে মিয়ানমারের দূতাবাস থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। সোমবার জাতিসংঘের হলোকাস্ট মোমোরিয়াল মিউজিয়ামও একটি বিবৃতি পেশ করে বলেছে- মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন, গণহত্যা চালিয়েছে, তার সুস্পষ্ট প্রমাণ সেখানে রয়েছে।

রোহিঙ্গা নিপীড়নে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা কিংবা যুদ্ধাপরাধের পরিভাষা ব্যবহার থেকে দূরে থাকছে যুক্তরাষ্ট্র।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ