শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে রাজকীয় বিদায় ৬ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের   বাংলাদেশ কওমী যুব ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি, আহ্বায়ক সাখী সদস্য সচিব তানজিল কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের  সৌদি আরব গেছেন সিরাত অলিম্পিয়াডের ওমরাহ বিজয়ী নাজিফা খান   ‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ সম্পর্কে যে তথ্য দিলেন পুলিশ বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের অশ্রুসিক্ত বক্তব্যে থমকে গেল সংসদ ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধন শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুক্ত হচ্ছে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে সাংবাদিকদের বেতন নিয়মিতকরণের দাবিতে বিএফ‌ইউজে এবং ডিইউজের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ

২২০ বছর পর মিললো টিপু সুলতানের বন্দুক-তলোয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ১৭৯৮-৯৯ সালে হয়েছিল মহীশূরের চতুর্থ যুদ্ধ। পার হয়ে গেছে সোয়া দুইশ বছর। এতদিন পর পাওয়া গেল টিপু সুলতানের বন্দুক ও তলোয়ার।

মহীশূরের চতুর্থ যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন টিপু সুলতান। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে সেই যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন মেজর থমাস হার্ট। সম্প্রতি থমাস হার্টের উত্তরসূরিরা চিলেকোঠার ঘর পরিষ্কার করার সময়ে ধুলো ভর্তি খবর কাগজের ভেতর এসব অস্ত্রের সন্ধান পান।

জানা যায়, পুরনো খবরের কাগজের মধ্যে লুকানো ছিল বাঘছাপওয়ালা বন্দুক ও স্বর্ণ-খচিত তলোয়ার। বাড়ির ছাদ থেকে হঠাৎ এই জিনিস পেয়ে হকচকিয়ে যায় ওই ব্রিটিশ পরিবার।

জানা গেছে, ওই বন্দুকটি টিপু সুলতানের। আর ওই তলোয়ার টিপু সুলতানের বাবা হায়দার আলির। চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে পরাজয়ের পর থমাস হার্ট ওই জিনিসগুলি প্রাসাদ থেকে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। তারপর সেগুলিকে রেখে দিয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। ২২০ বছর পর সেগুলি খুঁজে পেলেন থমাসের উত্তরসূরিরা।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শেষের দিকে নিলামে তোলা হবে টিপু সুলতানের ওই বন্দুক ও তলোয়ার। অ্যাটর্নি ক্রিব লিমিটেড নামের এক নিলাম সংস্থার কর্ণধার বলেছেন, এটি একটি অভাবনীয় আবিষ্কার। ২২০ বছর ধরে এই প্রত্নত্বাত্তিক সামগ্রীগুলো অবহেলায় পড়েছিল।

টিপু সুলতান (জন্ম: ২০ নভেম্বর, ১৭৫০ - মৃত্যু: ৪ মে, ১৭৯৯) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা। তিনি একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে তিনি বীরত্ব সহকারে যুদ্ধ করেন। তিনি তাঁর শৌর্যবীর্যের কারণে শের-ই-মহীশূর (মহীশূরের বাঘ) নামে পরিচিত ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতামাকীতার জন্য ভারতের বীরপুত্র বলা হয়।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ