রকিব মুহাম্মদ
আওয়ার ইসলাম
ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের তাবলিগের বিতর্কিত মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভীর ব্যাপারে দারুল উলুম দেওবন্দের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে তার পক্ষপাত করার অভিযোগে চট্টগ্রামের লালখান মাদরাসার কেন্দ্রীয় পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’।
রোববার(১৭ মার্চ) জামিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ মাদরাসায় সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে লালখান মাদরাসার পরিচালক মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী দারুল উলুম দেওবন্দের সিদ্ধান্ত ও ওলামায়ে কেরামের অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবং অযৌক্তিকভাবে বিতর্কিত তাবলিগি মুরব্বি মাওলানা সাদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে নিজেও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
হাইয়াতুল উলয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ ও জমহুর ওলামায়ে কেরামের বিপক্ষে যারা অবস্থান করবে, তাদের বিরুদ্ধে সংস্থাটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এমন একটি সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে লালখান মাদরাসার কেন্দ্রীয় পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি।
এদিকে, ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর এমন সিদ্ধান্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে আলোচনা সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, মাদরাসার পরিচালক মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী ভুল করে থাকলে সেই শাস্তি কেন নিরাপরাধ ছাত্ররা ভোগ করবে?
অনলাইন একটিভিটিস্ট ও খতিব মুফতি মনোয়ার তার ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেছেন, “ব্যক্তির অপরাধে মাদরাসা বা তার ছাত্রদের শাস্তি হতে পারে না। আপনারা যারা বোর্ড থেকে তাদের নাম কেটে দিচ্ছেন এ বড় যুলুম করছেন কিন্তু।”
আলেম ও লেখক মাওলানা লাবিব আব্দুল্লাহ লিখেছেন, “আমি মুফতী ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবের চিন্তার সঙ্গে একমত নই৷ আপনিও দ্বিমত পোষণ করতে পারেন৷ কিন্তু আপনারা তালেবে ইলমদের পরীক্ষা স্থগিত করবেন এটি অন্যায় সিদ্ধান্ত৷”
আবার অনেকে শিক্ষা কমিশন বা সংস্থার পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা ন্যায়সঙ্গত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। লেখক ও গবেষক মাওলানা রশিদ জামিল লিখেছেন, “শিক্ষাবোর্ড, তাবলিগ এবং হেফাজতে ইসলাম; একই জিনিস নাকি আলাদা আলাদা? যদি একই জিনিস হয়, তাহলে কথা নাই। যদি আলাদà