মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিউল হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুস সালাম পিন্টু, সবুজ ও আরিফুল ইসলাম মানিক। এদের মধ্যে সবুজ পলাতক। বাকি দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পিন্টু ও মানিক যুবদলের নেতা। মামলার বাকি আট আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের কোপে নিহত হন ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মতিহার থানায় হত্যা মামলা করেন।

তদন্তে বেরিয়ে আসে ব্যক্তিগত কোন্দলের জেরেই খুন হন এই শিক্ষক শফিউল ইসলাম। যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাসরিন আখতার রেশমা।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২৩ নভেম্বর রেশমার স্বামী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আবদুস সামাদ পিন্টুসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

পরে গোয়েন্দা পুলিশ রেশমাকেও গ্রেফতার করে। হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে রেশমা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন।

নাসরিন আখতার রেশমা ও তার স্বামী আবদুস সামাদ পিন্টু ছাড়াও অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- জেলা যুবদলের তৎকালীন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, পবা উপজেলার কাটাখালী পৌর যুবদলের নেতা আরিফুল ইসলাম মানিক, সিরাজুল ইসলাম, সবুজ শেখ, আল মামুন, আরিফ হোসেন, সাগর হোসেন, জিন্নাত আলী ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে টোকাই বাবু। তারা সবাই জামিনে মুক্ত।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ