আওয়ার ইসলাম: রাজনীতিতে পরস্পরবিরোধী অবস্থান থাকলেও চট্টগ্রামের পাহাড়ে ঝূঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদে যাওয়া জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের থেকে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার রক্ষায় জোটবদ্ধ হলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই নেতা।
তাদের চাপে চট্টগ্রামের লালখান বাজার মতিঝর্ণা এলাকার একটি পাহাড়ের বসতিতে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ নেয়া লাইনের ওই ট্রান্সফরমার রেখে আসতে হয়েছে জেলা প্রশাসনের অভিযানে যাওয়া কর্মকর্তাদের, যেখানে পাঁচজন সহকারী কমিশনার ছিলেন।
জেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের বোঝানোর চেষ্টায় ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি এবং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লালখান বাজারের মতিঝর্ণা এলাকার বিভিন্ন পাহাড় ধসে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নিতে উদ্যোগ নেয়া হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণে তা পুরোপুরি সফলতার মুখ দেখে না।
২০০৭ সালে লালখান বাজারের মতিঝর্ণাসহ চট্টগ্রামের সাতটি স্থানে পাহাড় ধসে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে মতিঝর্ণা এলাকাতেই পাহাড় ধসে চার পরিবারের ১২ জনের মৃত্যু হয়।
এরপর ২০১১ সালের ১ জুলাই টাইগার পাস বাটালি হিলে পাহাড়ের দেয়াল ধসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১১ জুন রাতে টানা বৃষ্টি, ধস আর পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলা ও চট্টগ্রামে ১৩২ জনের মৃত্যু হয়। শুধু রাঙামাটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১২০ জনের।
-এমডব্লিউ