মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ

রমজানের বাইরে মুসুল্লিদের মসজিদমুখী করতে মসজিদভিত্তিক পাঠাগার তৈরি জরুরি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চলছে রমজান মাস। ‘ইসলাম ও রমজান ভাবনা’ নিয়ে জামিয়া মাহমুদিয়া ইসলামিয়া কেরানীগঞ্জ মাদরাসার উস্তাদ মুফতী ইকরাম হুসাইন এর মুখোমুখি হয়েছেন আওয়ার ইসলাম আয়োজিত ‘লেখালেখি ও সাংবাদিকতা কোর্স’ এর শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম।সাক্ষাৎকারটি আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য পরিবেশন করা হলো।

আওয়ার ইসলাম : রমজান মাসকে এবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা জানি। এ মাসে কোন কোন আমল বেশি করা দরকার?মুফতী ইকরাম হুসাইন : ইবাদতের বসন্তকালের মাসে ফরজ হুকুমের পাশাপাশি যেসব আমল বেশি করলে ভালো হয় তা হলো,
১. শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা।
২. মিসওয়াক করার প্রতি গুরুত্ব দেয়া।
৩. তাহিয়্যাতুল উযু আদায়ে যত্নবান হওয়া।

৪. লা ইলাহ ইল্লাল্লাহ ও সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহীসহ অন্যান্য মাসনুন জিকির বেশি বেশি পাঠ করা।
৫. কুরআন খতম করা। এজন্য প্রত্যেক নামাজের পর ৪,৮ পৃষ্ঠা অথবা ১২ পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করা যেতে পারে।
৬. সামর্থ্য অনুযায়ী দান সদকা করা।
৭. বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া।

৮. রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা।
৯. কুরআন শরীফ দাওর করা। অর্থাৎ একে অপরকে শুনানো।
১০. সাহরি খাওয়া।

১১. নিজে ইফতার করা এবং অন্যকে ইফতার করানো। ১২. তারাবীর নামাজ পড়া। ১৩. জাকাত-ফিতরা ওয়াজিব হলে আদায় করে দেয়া। এছাড়া অন্যান্য নফল ইবাদাতগুলো বেশি বেশি করা।

আওয়ার ইসলাম : রমজান এলে সমাজের যুবক, বৃদ্ধ ও শিশুরা সবাইমিলে মসজিদমুখী হয়। রমজান গেলে তাদের এ স্রোত থেমে যায় কেনো? রমজানের বাইরেও তাদের মসজিদে ধরে রাখার জন্য করণীয় কী?
মুফতী ইকরাম হুসাইন : রমজানে মুসল্লিদের আগমনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে নিচের কর্মসূচি গুলো হাতে নেয়া যেতে পারে।

১. জরুরী মাসআলা মাসায়েল শিক্ষা দেয়ার জন্য বিশেষ দরসের ব্যবস্থা করা।
২. মসজিদ ভিত্তিক পাঠাগার গড়ে তোলা ও দীনি কিতাব সরবারহ করা।
৩. মুসুল্লিদের বয়স অনুযায়ী দীনি বিষয়ে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা ও পুরুস্কার প্রদান করা।

৪. মওসুম ভিত্তিক দীনি বয়ান সম্বলিত লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ করা।
৫. মহিলাদের জন্য বয়ানের ব্যবস্থা করা। মহিলাদের সাথে খাস এমন মাসআলা পুরুষের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌছে দেয়া।
৬. ছোট বাচ্চাদের জন্য কুরআন শরীফ ও অন্যান্য মৌলিক শিক্ষা প্রদান করা।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ