বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

কলেজের ভর্তির ফরমে মানবতার অপশন: দেশজুড়ে তুমুল সমালোচনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশের পরই রাজ্যজুড়ে কলেজগুলোতে শুরু হয়েছে ভর্তি প্রক্রিয়া। ভারতে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়াটিই অনলাইন পদ্ধতিতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গের বেথুন কলেজের কর্তৃপক্ষ ভর্তি ফরমে ‘ধর্মবিশ্বাস সংক্রান্ত’ একটি কলাম সবার নজর কেড়েছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ভর্তি ফরমে মোট ৮টি অপশন রেখেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। তার প্রথমটি হলো-মানবতা। কোনো শিক্ষার্থী যদি নির্দিষ্ট কোনো ধর্মমতে বিশ্বাস না করেন, তাহলে তিনি প্রথম অপশনটি বেছে নিতে পারেন। ওয়েবসাইটে পরবর্তী অপশনগুলো হলো-হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও অন্যান্য।

এমন পদক্ষেপ কার্যত নজিরবিহীন। তাদের কথায়, ‘বেথুন কলেজের কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত আধুনিক মানসিকতার পরিচয় দিলেন। মানুষের প্রাথমিক পরিচয় সে মানুষ। মানবতাই তার সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়। বেথুন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকারা হবু পড়ুয়াদের সুযোগ করে দিলেন সেই পরিচয়টিকে সবার সামনে তুলে ধরার।’

বেথুন কলেজের অধ্যক্ষ মমতা রায় বলেন, ‘আমাদের ভর্তি কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনো ছাত্রীর মনে হতেই পারে সে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মমতগুলিতে নয়, মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী। তার জন্য ওই অপশনটি রইল। তবে ধর্মবিশ্বাস আর মানবতার মধ্যে কোনো দেওয়াল আছে বলে আমরা মনে করি না।’

প্রসঙ্গত, বেথুন কলেজ এবং বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ-উভয়ই সরকারি প্রতিষ্ঠান। ইদানীং দেশের বিভিন্ন নামীদামি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়েই ধর্ম চিহ্নিত করার অপশন থাকে না। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা সাদরে গ্রহণ করেছেন সেই সিদ্ধান্ত। এবার সেই পথে হাঁটল বাংলার দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানও।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ