রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন জাতীয় মহিলা মাদরাসার ১০০ ছাত্রী গাজীপুরে বিকেএমের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মজলিস আইএবি কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসলাম মুছে যাওয়ার জন্য দুনিয়াতে আসেনি: মাওলানা আরশাদ মাদানী মুসলিমদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন মার্কিন তরুণ ৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’

ভারতে মুসলমানদের উৎখাতের ষড়যন্ত্র হচ্ছে: আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, বৃটিশ পরাধীনতার নাগপাশ থেকে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লড়াইয়ে মুসলমানরাই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন।

যে মুসলমানদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ভারত স্বাধীন হয়েছে, আজ ভারতে সেই মুসলমানদেরকেই নিপীড়নের শিকার এবং উৎখাতের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এর চেয়ে বড় গাদ্দারি, নিমকহারামি ও জুলুম আর কিছু হতে পারে না।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভারতে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগী ও ধর্ম পালনে বাধাদান, নাগরিক পঞ্জির নামে মুসলিম উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র এবং হিন্দুত্ববাদি স্লোগান ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করাসহ বহুমুখী সাম্প্রদায়িক হামলা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে তিনি এসব কথা বলেন।

আল্লামা কাসেমী বলেন, ভারতের হিন্দুত্ববাদি বিজেপি ও গোরক্ষকরা অত্যন্ত জঘন্য কায়দায় মুসলমানদের ওপর বর্বরোচিত সাম্প্রদায়িক হামলাসহ তাদের মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার হরণ করছে প্রতিনিয়ত। প্রকাশ্য রাজপথে উল্লাস নৃত্য করে মুসলমানদেরকে পিটিয়ে খুন করা হচ্ছে।

এমনকি তাদের নাগরিকত্ব হরণের মতো ধৃষ্টতামূলক ষড়যন্ত্রে ভারত সরকার জড়িয়ে পড়েছে। আমরা এসব মানবতাবিরোধী নিষ্ঠুর আচরণের নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে এসব বন্ধের দাবি জানাই।

জমিয়ত মহাসচিব আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশের মুসলমানরা ভারতের নির্যাতিত মুসলমানদের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি। ভারতের মুসলিম নিপীড়ন ও মানবাধিকার হরণ বন্ধে আমরা বাংলাদেশ সরকারের জোর কূটনৈতিক তৎপরতার দাবি জানাই। পাশাপাশি জাতিসংঘ, ওআইসি’সহ বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতিও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ