মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: প্রধানমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ

ইসলাম শিক্ষার প্রশ্নপত্রে বিতর্কিত সেফুদা, সমালোচনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের স্কুল শাখার দশম শ্রেণির প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের প্রশ্নপত্রে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন স্ট্যাটাস ও বক্তব্য দিয়ে বিতর্কিত প্রবাসী সেফাতুল্লাহ সেফুদাকে উদ্দীপক ধরে প্রশ্ন করা হয়। যা ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে শুরু হয়েছে জোর সমালোচনা।

জানা গেছে, গত ৪ জুলাই রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের স্কুল শাখার দশম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা হয়। প্রশ্নটির উদ্দীপক অংশে লেখা হয়েছে, ‘‘অদ্ভুত এক ধরনের মানুষ, সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে, ‘মদ খাবি, মানুষ হবি, আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম।’ তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হতো তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন এবং আত্মমর্যাদাবান ব্যক্তি।’

রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের (স্কুল শাখা আছে) দশম শ্রেণির প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র।

নিয়ম অনুযায়ী উদ্দীপকের আলোক জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতামূলক চারটি প্রশ্ন করতে হয়। সেখানে লেখা প্রশ্নগুলো হলো- ‘‘(ক) আকাইদ কী? (খ) ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন? (গ) বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা আমাদের জীবনে কি প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা কর এবং (ঘ) তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া সেফুদার বক্তব্যটি কিসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ কর।’’

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে অনেককে সমালোচনা করতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কলেজ কর্তৃপক্ষের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে  বলেন, আজ মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রশ্নপত্রটি দেখেছেন। এ বিষয়ে কাল বুধবার কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন।

প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিতর্কিত একটি নাম হচ্ছে সেফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা। পুরো নাম সিফাত উল্লাহ মজুমদার। ফেসবুকে বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচিত। ১৯৯০ সাল থেকে অস্ট্রিয়ার রাজধানীর ভিয়েনায় বসবাস করছেন সেফুদা। তার পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে, তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ