শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

ভারতে দরিদ্রদের তালিকায় দলিত ও মুসলিমরাই বেশি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের রাষ্ট্রপুঞ্জের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা ইউএনডিপি এবং অক্সফোর্ড পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ বা ওপিএইচআই, মাল্টিডাইমেনশনাল পভার্টি ইনডেক্স বা এমপিআই ২০১৮ প্রকাশ করেছে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের ওই রিপোর্টে জানা যায়, ভারতে তফসিলি উপজাতির প্রতি দ্বিতীয়জন, তফসিলি জাতির প্রতি তৃতীয়জন, মুসলিম সমাজের প্রতি তৃতীয়জন এবং ১০ বছর বয়সের নিচে প্রতি পাঁচটি শিশুর মধ্যে দুজন দরিদ্র।

কোনও দেশের জনসংখ্যার ভিত্তিতে সেই দেশের ধনী দরিদ্রদের অনুপাত বলা হয় এমপিআই রিপোর্টে। মাল্টিডাইমেনশনাল শব্দের অর্থ শুধু রোজগারই নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, সম্পত্তি, জীবনযাপনের মান সব কিছু সংযুক্ত থাকে।

দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ৬৪০ জেলাজুড়ে ওই সমীক্ষা করা হয়েছে। তারপর ২০০৫–০৬ এবং ২০১৫–১৬ সাল, এই ১০ বছর সময়ের মধ্যে সেই রিপোর্টকে তুলনা করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে দেশের ৫০ শতাংশ আদিবাসী, ৩৩ শতাংশ দলিত এবং ৩৩ শতাংশ মুসলিমই গরিব।

দেশের জনসংখ্যার মধ্যে ২৭ শতাংশই এমপিআই–এর মধ্যে বসবাস করে। তাদের মধ্যে ৩৪.৫ শতাংশ শিশু। রিপোর্টে যা আরও বেশি লক্ষ্যনীয় তা হল দেশের জনসংখ্যার ৮.৬ শতাংশ মানুষ অতি দরিদ্র। জনসংখ্যার মধ্যে অধিকাংশই দরিদ্র।

রিপোর্ট বলছে সারা বিশ্বের ১০৫ দরিদ্রতম দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ৫৪ নম্বরে। এক্ষেত্রে শীর্ষ স্থান আফ্রিকা মহাদেশের নাইজার। এমপিআই তালিকার উপরে থাকা মানুষদের মধ্যে ১৫ শতাংশ মানুষকে গরিব বলা যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ