বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

সরকারি হরগঙ্গা কলেজের ৩ টি ভবনে ধ্বস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজের তিনটি ভবন ধ্বসে পড়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজের জমানো পানির চাপে ওই তিনটি ভবন ধ্বসে পড়েছে বলে জানা যায়।

সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে কলেজটির রোভার স্কাউট ডেন, দ্বাদশ শ্রেণির কক্ষ ও কলেজটির ঐতিহ্যবাহী ১৯৩১ সালের নির্মাণ হওয়া দ্বিতীয় তলা বিশিষ্ট মূল ভবনের একটি অংশ ধ্বসে পড়ে।

তবে এ ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ভবন ধ্বসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ধ্বসে পড়া এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়।

জানা যায়, কলেজটির ধ্বসে পড়া তিনটি ভবন পুকুর পাড়ে অবস্থিত। বিগত কয়েকদিন ধরে পার্শ্ববর্তী জেলা স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজের জন্য ড্রেজিং করে বালু ভরাট চলছিলো। এ সময় চলমান ড্রেজিংয়ে আসা পানির তোরে ভবনের নিচের মাটি সরে যায় এবং পুকুরটির পাশের রাস্তা ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হলে এ ঘটনা ঘটে।

ধ্বসে পড়া ভবনে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, আইটি বিভাগ, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম চলত। ভবন ধ্বসের কারণে এসব বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে। অন্যদিকে আইটি বিভাগের মোট ৫৭টি কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী উদ্ধার করা জটিল হয়ে পড়ছে। এসব জিনিসের মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজটির উপাধ্যক্ষ প্রফেসর নাসিমা আহম্মেদ বলেন, হঠাৎ করেই ভবন তিনটি ধ্বসে পড়ে। ধ্বসের সময় ভবনগুলোতে কেউ ছিল না। ফের দুর্ঘটনা এড়াতে কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ভবন ধ্বসের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শফিউল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে পানির তোরে খাদের মতো সৃষ্টি হওয়ায় ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রচণ্ড গতিতে ড্রেজারের পানি প্রবেশ করায় ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মুহা. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভবনগুলো ধ্বসের প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে। আইটি বিভাগের কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী উদ্ধারের জোর চেষ্টা চলছে। শিক্ষা অধিদপ্তর ও গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় কারও কোনও গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ