শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’ বর্ষায় ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় সাত দলকে নিয়ে বৈঠকে কী বার্তা দিলো হেফাজত খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানালেন তেহরানের ইমাম বন্যা দুর্গতদের পাশে হেফাজতে ইসলাম, ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ

কাশ্মীরের যে শহরে এখনও সেনা প্রবেশ করতে পারেনি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিপুল উপস্থিতিতে জম্মু-কাশ্মীর যখন কার্যত অবরুদ্ধ, গোটা এলাকা যখন এক কারাগার, তখন শ্রীনগরের সুরা অঞ্চল যেন এক মুক্তাঞ্চল।

জানা যায়, স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে যেখানে এখনও প্রবেশ করতে পারেনি নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা। শহরের সবগুলো প্রবেশপথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানকার তরুণরা।

ইঁট-কাঠ-পাথরকেই হাতিয়ার বানিয়ে সুরার তরুণরা ২৪ ঘণ্টা পাহারা দিচ্ছে নিজেদের শহর। ১৫ হাজার মানুষের এই শহরটি এখন রূপ নিয়েছে হয়েছে ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে।

১২টি প্রবেশপথের প্রত্যেকটিই ইটের ব্যারিকেড, মেটাল শিট, ট্রাংক কিংবা কাঠের পাটাতন দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে। আর দেয়ালের পেছনে আরেক দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় তরুণরা।

৩৭০ ধারা বাতিলের আগমুহুর্তে জম্মু-কাশ্মিরে মোতায়েন করা হয় আধাসামরিক বাহিনীর ৩৫ হাজার সদস্য। পরে যোগ হয় আরও ৮ হাজার।

তবে এই বিপুল সামরিক উপস্থিতির মধ্যেও ভারতীয় বাহিনীর কোনও সদস্য এখন পর্যন্ত সুরায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় বাহিনীর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, সুরার নিয়ন্ত্রণ নিতে তারা মরিয়া, তবে তা সম্ভব হয়ে উঠছে না।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য সুরা এখন নো গো জোন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলই এখন নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চালেঞ্জ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ