শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

দাম্পত্য জীবন সুখী করতে স্বামী-স্ত্রীকে ইসলাম যা বলছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মদ খুরশিদুল ইসলাম ত্রিশালী>

মহান আল্লাহ এ পৃথিবীকে টিকিয়ে রেখেছেন ভালোবাসার এক নিদর্শন হিসেবে৷ আর তার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিজীব মানব সৃষ্টির মাধ্যমে৷

আল্লাহ তায়ালা স্বামী স্ত্রীর মাধ্যমেই সৃষ্টির ধারা অব্যহত রেখেছেন। আর এ পৃথিবী ততই সুন্দর হতে থাকবে, যতটা সুন্দর হবে এ পৃথিবীর দাম্পত্য জীবন। আর এ দাম্পত্য জীবন সুখী করতে দু’জনের ভালোবাসা ও বোঝাপরার গুরুত্ব অনেক বেশি।

কারণ দু’জন একে পরের আবরণ স্বরুপ। একে অপরকে যতটা সুখী রাখবে, পৃথিবী ততটাই সুন্দর হবে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন, তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক।

আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও ৷ সুরা বাকারা ১২৩।

আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ‘ভবিষ্যতের জন্য কিছু কর' বলতে সন্তান-সন্ততির জন্য প্রচেষ্টা চালানো বুঝানো হয়েছে। আর এ সন্তান-সন্তুতির মাধ্যমেই আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী টিকিয়ে রেখেছেন। আর যতদিন তিনি চান এ পৃথিবী টিকে থাকবে।

আবূ হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি যদি কাউকে অন্য কোন লোকের প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম তাহলে অবশ্যই স্ত্রীকে তার স্বামীর প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম। ইবনু মাজাহ (১৮৫৩)। জামে আত-তিরমিজি-১১৫৯।

মুআয ইবনু জাবাল রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন পৃথিবীতে কোন স্ত্রীলোক যখনই তার স্বামীকে কষ্ট দেয় তখনই (জান্নাতের) বিস্তৃত চক্ষুবিশিষ্ট হুরদের মধ্যে তার (ভাবী) স্ত্রী বলে, হে অভাগিনী! তাকে কষ্ট দিও না।

তোমাকে আল্লাহ তা'আলা যেন ধ্বংস করে দেন! তোমার নিকট তো তিনি কিছু সময়ের মেহমান মাত্র। শীঘ্রই তোমার হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি আমাদের নিকট চলে আসবেন। ইবনু মাজাহ (২০৪১)। জামে আত-তিরমিজি-১১৭৪।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন কোন লোক তার স্ত্রীকে নিজ প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে ডাকলে সে যেন সাথে সাথে তার নিকট আসে, এমনকি সে চুলার উপর রান্না-বান্নার কাজে ব্যস্ত থাকলেও। মিশকাত (৩২৫৭), তিরমিজি-১১৬০।

উম্মু সালামা রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে