মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত 

ভয়াবহ সুনামির আঘাতেও অক্ষত ছিল 'রহমতউল্লাহ মসজিদ'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমাত্রা দ্বীপের আচেহ প্রদেশে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় ‘রহমতউল্লাহ মসজিদ’। ২০০৪ সালের ভয়াবহ সুনামির আঘাতে এই মসজিদের আশেপাশের সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যায়। তবে প্রায় অক্ষতই থেকে যায় মসজিদটি।

কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে মসজিদটির ইমাম সুলাইমান মুহাম্মাদ আমিন বলেন, ‘আমি ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ঘটনা এখনো স্পষ্ট মনে করতে পারি। একটি ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্প যখন এই অঞ্চলে আঘাত হানে, তখন মসজিদটির পাশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অনেক মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। বোমা বিস্ফোরণের মতো একটি প্রচণ্ড শব্দের পর ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। আমি মনে করেছিলাম বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ফ্রি আচেহ মুভমেন্ট হামলা চালাচ্ছে।’

এরপর ৬৮ বছর বয়সী এই ইমাম যোগ করেন, ‘কিছুক্ষণের মধ্যেই সুনামি আঘাত হানে। ৩০ মিটার উঁচু সুনামির আঘাতে আশেপাশের সব বসতবাড়ি, ভবন ও গাছ ধ্বংস হয়ে যায়। মসজিদটির গম্বুজের চেয়ে বেশি উঁচু ছিল সুনামির ঢেউগুলো। সুনামির চার মাস পর আমি ওই জায়গায় গিয়ে অবাক হয়ে দেখি মসজিদটি প্রায় আগের মতোই আছে। বড় ধরনের কোনো ক্ষতিই হয়নি।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ