শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’ বর্ষায় ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় সাত দলকে নিয়ে বৈঠকে কী বার্তা দিলো হেফাজত খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানালেন তেহরানের ইমাম বন্যা দুর্গতদের পাশে হেফাজতে ইসলাম, ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ পানিতে ডুবে মারা যাওয়া চার মাদরাসাছাত্রীর কবর হলো পাশাপাশি

উইগুর মুসলিম নির্যাতন ইস্যুতে চীনের মিত্র জার্মানির উপর চাপ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফাঁস হওয়া চীনা নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু মানুষকে আটকে রাখার ঘটনা ঘটছে চীনে৷ দেশটির সঙ্গে নানা খাতে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকায় এই ইস্যুতে জার্মানিও চাপে রয়েছে৷

অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংঘ আইসিআইজে ফাঁস হওয়া চীনের কিছু নথিপত্র ঘেঁটে জানিয়েছে যে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ১০ লাখের মতো উইগুর মুসলমানকে পরিকল্পতিভাবে নজরদারিতে আটকে রাখা হয়েছে৷

সংখ্যালঘুদের অন্তরীণ রাখার এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত, তাদের সঙ্গে জার্মানির বহুজাতিক কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আছে কিনা, থাকলে জার্মানি এক্ষেত্রে উইগুর ইস্যুতে মুখ খুলবে কিনা, সেসব বিষয়ও সামনে নিয়ে এসেছেন পর্যবেক্ষকরা৷ তারা চাচ্ছেন, জার্মানি চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘন ইস্যুতে ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হোক৷

আইসিআইজের অনুসন্ধান বলছে, ইন্টিগ্রেটেড অপারেশন প্লাটফর্ম নামের এক কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করে উইগুর মুসলমানদের উপর নজরদারি করে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য কাজে লাগিয়ে ২০১৭ সালের জুন মাসে শুধু এক সপ্তাহেই ১৫ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে৷ সবমিলিয়ে ১০ লাখ সংখ্যালঘু উইগুরকে অন্তরীণ করতে এসব তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে৷

এই কম্পিউটার সিস্টেমটি তৈরি করেছে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সিইটিসি গ্রুপ, যাদের সঙ্গে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে৷

ইউরোপের সবচেয়ে বড় এই উৎপাদন প্রতিষ্ঠানটি অবশ্য দাবি করেছে, সিইটিসি'র উৎপাদন কারাখানাগুলোতে শুধু সিমেন্সের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়৷ অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তিকে নজরদারির ক্ষেত্রে সিইটিসি যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখানে সিমেন্সের অংশগ্রহণ নেই৷

চীন অবশ্য দাবি করেছে, উইগুরদের আটকে রাখা হয়নি, বরং দারিদ্র্য বিমোচন এবং উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়তে ‘পুনঃশিক্ষা কেন্দ্রে' স্বেচ্ছায় রয়েছেন উইগুর শিক্ষার্থীরা৷ তবে ফাঁস হওয়া নথিপত্র বলছে, তাদেরকে জোর করে আটকে রাখা হয়েছে৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ