শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’ বর্ষায় ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় সাত দলকে নিয়ে বৈঠকে কী বার্তা দিলো হেফাজত খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানালেন তেহরানের ইমাম বন্যা দুর্গতদের পাশে হেফাজতে ইসলাম, ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ পানিতে ডুবে মারা যাওয়া চার মাদরাসাছাত্রীর কবর হলো পাশাপাশি

দেশের শান্তি সমৃদ্ধি কামনায় শেষ হলো চরমোনাই মাহফিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, নামাজ যেমন ফরজ ইসলামী রাজনীতিও তেমন ফরজ। রাজনীতি এখন পুঁজিতে পরিনত হয়েছে। রাজনীতি করে একদল মানুষ কলাগাছ নয় বরং রাতারাতি বটগাছ বনে গেছে। এই রাজনীতির জন্য পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর নামে ১৮টি মামলা হয়েছে। কিন্তু তিনি হক্বের আওয়াজ তোলা থেকে বিরত হননি।

আজ শুক্রবার সকালে ঐতিহাসিক চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিলের সমাপনী অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আদর্শ বিসর্জন দিয়ে রাজনীতি নয় বরং আদর্শকে আঁকড়ে ধরে ইবাদাতের রাজনীতি করে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নীতি আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চরমোনাইয়ের পীর বলেন, একদল আলেম নিজেদের দুর্বলতাকে ঢেকে রাখার জন্য অন্যের সমালোচনা করে। আমি কুরআন হাদিসের উপর চলার চেষ্টা করে আপনাদেরকেও কুরআন হাদিসের নির্দেশিত পথে চলতে আহ্বান করি। তারপরেও যদি আপনারা দেখেন যে আমি কুরআন-সুন্নাহর বিরুদ্ধে চলতে বলি তবে তা আমাকে দেখিয়ে দিলে আমি সংশোধন করে নিব।

গত মঙ্গলবার দুপুরে উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজ শুক্রবার সকাল ৮টা ৩০মিনিটে আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম আখেরী মুনাজাত করেন।

মুনাজাতে বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক কল্যাণ এবং রোহিঙ্গা, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, কাশ্মীরসহ নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়।

উল্লেখ্য, মাহফিলে প্রধান অধিবেশন ৭টি। তার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম ৫টি ও নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম ২টি অধিবেশনে বয়ান করেন।

মাহফিলের মূল ৭টি বয়ান ছাড়াও এতে মূল্যবান বয়ান পেশ করেন- পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর খলীফা মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল মজিদ, মাওলানা সেকান্দার আলী সিদ্দিকী, আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, দক্ষিণ আফ্রিকা দারুল উলুম-এর মুহতামীম মাওলানা মুফতী আমজাদ হোসাইন, চরমোনাই আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর সাহেবজাদা মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী।

আরও বয়ান পেশ করেন, চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতী সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর সাহেবজাদা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ জিয়াউল করীম, চরমোনাই জামেয়ার মুহাদ্দিস মুফতী নূরুল আলম, চরমোনাই আলিয়ার প্রধান মুফাস্সির মাওলানা গাজী মুহাম্মাদ জাফর ইমাম, আলিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা নিজামুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহসহ দেশবরেণ্য উলামায়ে কিরামগণ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ