মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

উইঘুর মুসলিম নারীর মুখে নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা (২য় পর্ব)

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গুলবাহার জলিল একজন উইঘুর মুসলিম নারী। প্রায় দুই বছর সাম্রাজ্যবাদী চীনের কারাগারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পর এ নিয়ে তিনবার মুখোমুখি হলেন আল জাজিরা আরবির। পৃথক পৃথক এসব ভিডিও সাক্ষাৎকারে বর্ণনা করেছেন সেখানে মুসলিম বন্দী নারীদের সঙ্গে কি আচরণ করছে চাইনিজ সেনাবাহিনী। প্রথম দুইপর্ব সাক্ষাৎকারের বাংলা অনুবাদ আওয়ার ইসলামে একত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর আজ প্রকাশিত হল তৃতীয় পর্ব। ভিডিওর চুম্বকাংশ আরবি থেকে ভাষান্তর করেছেন আওয়ার ইসলামের কন্ট্রিবিউটর বেলায়েত হুসাইন।


সাম্রাজ্যবাদী চীনের সেনাবাহিনীরা সপ্তাহে একাধিকবার আমাদের সেল পরিবর্তন করে দিতো, যাতে যুবতীরা একে অপরের সঙ্গে ভাল করে পরিচিত হতে না পারে। একটা সেলে আমরা সর্বোচ্চ দুই তিন-দিন অতিবাহিত করার সুযোগ পেতাম। অজু-গোসলের কোন ফুরসত আমাদের দেয়া হতো না। শরীর ফুলে যেত ও ভয়ংকর নীলাভ বর্ণ ধারণ করতো। ময়লাযুক্ত মাথায় উকুন আমাদের মস্তিষ্ক কুঁড়ে কুঁড়ে খেতো।

আমি এমন কয়েকজন হতভাগা মেয়েকে দেখেছি, যাদের প্রতি হাতে দশটি করে বিষাক্ত পয়জনযুক্ত ওষুধ মেশানো ইনজেকশন পুশ করে ওদের অজ্ঞান করে রাখতো। মেয়েগুলো অজ্ঞান হয়ে পড়লে পাষণ্ড চৈনিক সেনারা ধর্ষণলীলার উৎসবে মেতে উঠতো।

কয়েকটি সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, ধর্ষণে বাঁধা দেয়ায় তাদের সবগুলো আঙুল উপড়ে ফেলা হয়েছে। শত আহাজারি করেও মানুষরূপী ওই হায়েনাদের থেকে তারা রক্ষা পায়নি। এমন আরও অসংখ্য অবর্ণনীয় ঘটনার সাক্ষী আমি। যেসব যন্ত্রণা ও কষ্ট দেখে শুধু অশ্রুই ঝরিয়েছি; তাদের জন্য করতে পারিনি কিছুই।

কারাগারের প্রকোষ্ঠে ৬২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। মিসর যাওয়ার কারণে তাকে বন্দী করা হয়েছে। তুরস্কে যাওয়ার কারণে বন্দী করা হয়েছে এরকম বয়সী আরেক নারীকে। এক নারীর মোবাইলে মুহাম্মাদ সালাহর ফোন নাম্বার পাওয়ায় তাকেও অন্ধকার এই কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক যুবতীকে দেখিছি, জুলুম অত্যাচার সইতে না পেরে পাগল হয়ে অসহ্য কষ্টকর জীবন অতিবাহিত করছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ