মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ইফা সড়কে প্রাণ গেল মেধাবী তরুণ আলেম মাহমুদ হাসান আরিফের স্বচ্ছতা বাড়াতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ডিজিটাল করছে বাংলাদেশ ব্যাংক দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনের সাধারণ সময় শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের শঙ্কা! হারামাইনের সাউন্ড সিস্টেম বদলে দেওয়ার কারিগর তুর্কি প্রকৌশলী পাল্টে গেল দাখিল-আলিমের ‘সাধারণ শাখা’র নাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানত তোলা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

মুসলিম সংগঠনকে মিছিলের অনুমতি দিল না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় অন্যদের মতো পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক দলও সরব। তবে সিএএ কিংবা এনআরসির বিরুদ্ধে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়াকে মিছিল করার অনুমতি দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর সেই বিতর্কে জড়িয়েছে তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানের নাম।

পুলিশ গত বৃহস্পতিবার ওই দলটির জানুয়ারির ৫ তারিখ মুর্শিদাবাদে র‍্যালি করার অনুমতি দেয়নি। অনুমতি খারিজের প্রসঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পিএফআই যে লিফলেট মানুষের কাছে বিলি করেছে সেখানে তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানের নাম লেখা আছে।

আবু তাহের খান বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তারা যদি পোস্টারে আমার নাম ব্যবহার করে থাকে, আমি তাতে কিছু করতে পারব না। তবে পিএফআই জানিয়েছে, আবু তাহের খান এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতারা মিছিলে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

উত্তরপ্রদেশ সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার আবেদন জানানোর ঠিক পরের দিনই অনুমতি দিল না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে পিএফআই সহিংসতা ছড়ানোর জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানুয়ারির ১ তারিখ যোগি আদিত্যনাথের সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া ওই চিঠি পেয়েছে। সেখানে নিষিদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে আইনি মতামত নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পিএফআইয়ের বিগত কার্যকলাপ খতিয়ে দেখার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার, গোয়েন্দা সংস্থা এবং এনআইএ-র সাহায্য নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ১৯টি জেলায় পিএফআই সক্রিয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ