বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বর্ণবাদী প্রথাকে শক্তিশালী করবে: মাহমুদ আব্বাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে উত্থাপিত একপেশে কথিত শান্তি পরিকল্পনা ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বর্ণবাদী প্রথাকে শক্তিশালী করবে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মঙ্গলবার ফিলিস্তিনবিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা উত্থাপন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মাহমুদ আব্বাস। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার।

মাহমুদ আব্বাস বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ যে কোনো মূল্যে এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

এদিকে মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় দেশগুলো।

বৈঠক শুরু হওয়ার আগে বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, জার্মানি, পোল্যান্ড ও ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি পড়ে শোনানো হয়।

গত ২৮ জানুয়ারি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউরোপীয় দেশগুলোর যৌথ বিবৃতিটি বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে বলা হয়, আমেরিকার ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব উপেক্ষা করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো আরও বলেছে, জর্দান নদীর পশ্চিমতীরের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপন করে জাতিসংঘের আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

এতে ফিলিস্তিনের আল কুদস বা জেরুসালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন-ইহুদিবাদী এ পরিকল্পনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া জর্দান নদীর পশ্চিমতীরের ৭০ শতাংশ ভূমি ও গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি দুর্বল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছে।

ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো অর্থাৎ ফিলিস্তিনি জনগণ ট্রাম্পের এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ