বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘না’ ভোটের আহ্বানে তোপের মুখে জাপা প্রার্থী, সভা ছাড়লেন পুলিশের পাহারায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ফজলুর রহমান তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে: তারেক রহমান দেশবাসীর রোগ সারাতে ডা. শফিকুর রহমানের বিকল্প নেই : ডা. খালিদুজ্জামান নির্বাচন ও গণভোট: সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সেনাপ্রধান নির্বাচন ঘিরে টানা চারদিনের ছুটি হাদি হত্যা: ফয়সালের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ রুবেল ৬ দিনের রিমান্ডে ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি, দিল্লিকে যে বার্তা দিলো বাংলাদেশ আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে: প্রেস সচিব ফের চালু হচ্ছে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম, জানা গেল তারিখ

৫০ হাজার কোটি পাওনা টাকা চেয়ে মোদিকে মমতার চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাদের পাওনা ৪৯ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা (রুপি)। বার বার বলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না। কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে সেই পাওনা টাকা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সময়মতো পাওনা টাকা না পাওয়ায় রাজ্য চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে চার পাতার চিঠিতে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মোদিকে তিনি লিখেছেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। প্রাপ্য টাকা পেলে রাজ্যে আরও উন্নয়ন করব’।

জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে কলকাতা বন্দরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়ে সেদিন রাজভবনে গিয়ে মোদির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করেছিলেন মমতা।

প্রধানমন্ত্রী তাকে দিল্লি গিয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সে কথা মুখ্যমন্ত্রীই তখন সাংবাদিকদের জানান। এরপর রাজ্য বাজেট হয়ে গিয়েছে। ২০১৯-’২০ আর্থিক হিসেব দেখে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন মমতা।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘ন্যায্য’ দাবি জানিয়ে রাজ্যের পাওনা টাকা চেয়েছেন মমতা। এর মধ্যে ২০১৯-’২০ অর্থবর্ষের বাজেটে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় করের অংশ হিসেবে প্রাপ্য ১১ হাজার ২১২ কোটি টাকা (রুপি)।

কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ পাওনা ৩৬ হাজার কোটি। জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের ভাঁড়ারে ২৪০৬ কোটি টাকা (রুপি) আসার কথা। কেন্দ্রীয় প্রাপ্য করের টাকা প্রতি মাসের প্রথম দিনের বদলে ২০ তারিখে পাওয়ায় কোষাগারের নগদে টান পড়ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় অনুদানের টাকা দ্রুত বরাদ্দ করার জন্য লিখেছেন মমতা। জিএসটি ক্ষতিপূরণের অক্টোবর-নভেম্বরের পাওনা টাকা কেন্দ্র দিয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। এই খাতেও রাজ্যের প্রাপ্য ২৪০০ কোটি টাকা (রুপি)।

অর্থ-কর্তাদের কেউ কেউ অবশ্য জানাচ্ছেন, কেন্দ্রীয় করের ৪২% রাজ্যের পাওয়ার কথা। ২০১৯-’২০ অর্থবর্ষে কর আদায় কম হওয়ায় রাজ্যের ভাগে টাকাও জুটেছে কম। কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ যে ৩৬ হাজার কোটি টাকা (রুপি)রাজ্যের পাওনা বলে দাবি করা হয়েছে, তার মধ্যে ২৩ হাজার কোটি বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের প্রশ্নে কেন্দ্রের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকায় সে টাকা পাওয়ার আশা কম। তবে জিএসটি ক্ষতিপূরণের দাবি ন্যায্য, দিল্লি তা দিতেও বাধ্য বলে মনে করছেন অর্থ-কর্মকর্তারা। নবান্নের এক শীর্ষ কর্মকর্তা আনন্দবাজারকে বলেছেন, ‘প্রতি বারই বকেয়া করের টাকা মার্চ মাসের শেষে মেলে। এ বারও যাতে তার অন্যথা না-হয় সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ