মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাপানে ভূমিকম্পে শপিং মল ধসে আটক বহু মানুষ ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দুবাইয়ে ৫৫১১ জনের ইসলাম গ্রহণ জ্বালানি সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃত্যু আরও ৩ জনের, ভর্তি ৫১২

প্রস্তাবিত বাজেট বর্তমান পরিস্থিতি উপযোগী নয়: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী উত্থাপিত ও প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটকে বর্তমান পরিস্থিতি উপযোগী নয় বলে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী ও মহাসচিব মাওলনা মাহফুজুল হক।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিকে তারা বলেছেন, চলমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য যথাযথ বাজেট পরিকল্পনা লক্ষ্য করা যায়নি। ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত এ বাজেটে ১ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের ঘাটতি রয়েছে। বাজেটের বিরাট যে ঘাটতি তা কিভাবে কোথায় থেকে পূরণ হবে তার নির্দিষ্ট কোনো হিসাব উল্লেখ নেই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা মহামারির এ পরিস্থিতিতে দেশবাসি যখন অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও অব্যবস্থাপনার কারণে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত, তখন প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে যা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে, তা চাহিদার আলোকে কোনোক্রমেই যথেষ্ট নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার দরকার ছিল।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি উপকরণের মূল্য কমানোর কোনো কথা বলা হয়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে বিগত বছরের মূল্যই বহাল রাখা হয়েছে। দেশ যখন দিনে দিনে দুর্ভিক্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন স্বাস্থ্য খাতের পরেই কৃষিখাতকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সরকার সেটা না করে দেশের কৃষকদেরকে চরমভাবে আশাহত করেছে। সেই সাথে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পখাতকেও যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয়নি। অতীতের ন্যায় বাজেটে দুর্নীতিবাজ ও কালো টাকার মালিকদের অবৈধ টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে দুর্নীতিকে আরো উৎসাহিত করেছে। সরকার একদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন হুঙ্কার দিলেও অন্যদিকে তাদেরকে দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানে বিশ্বব্যাংক বলেছে, আগামী অর্থবছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশের বেশি হবে না সেখানে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় আগামী অর্থবছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৯.৫ শতাংশ হবে বলে জাতিকে মিথ্যা আশার বাণী শুনিয়েছে। বরাবরের ন্যায় ঘোষিত বাজেটে ধর্মীয় খাতে একক কোনো বরাদ্ধ না দিয়ে সরকার দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণকে চরমভাবে নিরাশ করেছে। পরিস্থিতির বিবেচনায় দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে বাজেট ঘোষণা করলে বাজেট বাস্তবায়নে কোনো সংশয় ও সন্দেহ থাকতো না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ