সিলেট অফিস: বিভিন্ন সময়ে পুলিশের খারাপ দিকগুলোই বেশি মুখরোচক হয়ে ওঠে। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি তারা যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই তা আমরা ভুলে যাই। দু-একজনের অপকর্মে পুরো পুলিশ বাহিনীকে সমালোচনায় বিদ্ধ করি আমরাই।
পুলিশ বিভাগে রয়েছে বহু কর্মকারতা আছে যারা সাধারণ মানুষকে নি:স্বার্থ ভাবে সহযোগিতার মতো মানবিক কাজগুলোকেও নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করে কাজ করে। তাদের মধ্যে একজন সিলেট এসএমপি কোতোয়ালি থানায় কর্মরত এস আই মুহা. আব্দুল আজিজ। তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, পরোপকারী ও মানব দরদী মানুষ। অসহায় মানুষের দুঃখ দুর্দশা দেখলে সদাসর্বদা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। আব্দুল আজিজ সরকারি চাকুরির পাশাপাশি বাকি সময়টুকু মানব সেবার কাজে ব্যয় করতে ভালোবাসেন।
তার উদ্যোগে সিলেট অঞ্চলে গরীব অসহায় রোগীদের জন্য একটি রক্তদান গ্রুপ তৈরী করেছেন। এ পর্যন্ত তার এক গ্রুপের মাধ্যমে শতাধিক রোগীদের রক্ত দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি করোনার এই মহামারির কারণে কর্মহীন অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী, বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বিগত ২০১৪ সালে সিলেট এয়ারপোর্ট থানার আওতাধীন সাহেবের বাজার এলাকায় দায়িত্বকালীন সময়ে মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এসেছেন, তার সেই অবদান সেখানকার জনগণ এখনো ভুলতে পারেনি। বিভিন্ন সময় নানাবেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন। শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন পাশাপাশি এলাকায় অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে রেখেছেন বিশেষ অবদান রেখে এসেছেন।
একজন চৌকস, পেশাদার পুলিশ অফিসার হিসাবে আইনশৃংখলা রক্ষা, মানবাধিকার, মানবিকতার নানা গুণাবলি মিপম শে সাদাসিধে জীবনের অধিকারী এই পুলিশ কর্মকর্তার। আশপাশে চোখ দিয়ে তাকালেই অগনিত কালো টাকার ছড়াছড়ি, কিন্তু এতদ:সত্যেও তার লোভ লালসাহীন কর্মতৎপরতা, এজন্য তাকে এনে দিয়েছে এলাকায় অসংখ্য সম্মান। পেয়েছেন বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার সম্মাননা।
গোটা সাহেবের বাজার অঞ্চলে তার পরিচয় ছিল একজন সৎ পুলিশ অফিসার হিসাবে। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা সমাবেশে শুনা যেত তার কর্মতৎপরতার অনেক সুনাম। তিনি সততার চাদরে আবৃত ব্যপ্তিময় চলাফেরার কারণে ইতিপূর্বে সাহেবের বাজার অঞ্চলের সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন।
ওআই/ আব্দুল্লাহ আফফান