সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

এনসিপির কর্মসূচিতে হামলায় চিরতরে আলো হারাল সেই আলিফের এক চোখ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক:

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরীর (১৯) বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছে। অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলেও চিকিৎসকেরা তার চোখের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে পারেননি। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এনসিপির সহযোগী সংগঠন নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানান।

তিনি লেখেন, ‘আলিফের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। একটি চোখ চিরতরে আলো হারিয়েছে। ডান চোখটি ভালো আছে। এখন তাকে অস্ত্রোপচারের পর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

এর আগে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রডের আঘাতে আলিফ চৌধুরীর বাম চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ চৌধুরী। এরপর থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

ওই দিন বিকেলে হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। সমাবেশ শেষে তাদের গাড়িবহর সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে হামলার ঘটনা ঘটে।

এনসিপির অভিযোগ, প্রথমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে সারজিস আলমের গাড়িকেও ধাওয়া করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সারজিস আলম শহরের সোনালী ব্যাংকের একটি ভবনে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়।

দলটির আরও অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় মিডিয়া টিম বহনকারী একটি মাইক্রোবাসে ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের মুঠোফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি। হামলায় তাদের মিডিয়া টিমের সদস্য, চালক ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা গুরুতর আহত হয়েছেন। কারও কারও হাত-পা ভেঙে গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ