বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

ঘুষের মামলা: তিতাসের ২ কর্মকর্তার ৫ বছরের জেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঘুষ গ্রহণের মামলায় রাজধানীর ডেমরাস্থ তিতাস গ্যাস অফিসের দুই কর্মকর্তাকে ৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ডেমরার তিতাস গ্যাস অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান সরকার এবং টেকনিশিয়ান মো. আব্দুর রহিম। রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার কামরুজ্জামান সরকার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জামিনে অনুপস্থিত আব্দুর রহিমকে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলা থেকে জানা যায়, রাজধানীর দক্ষিণখানে অবস্থিত নিপ্পন সোয়েটার্সের মালিক ডি এম আসাদুজ্জামান আওলাদ তার প্রতিষ্ঠানের গ্যাস মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করেন। এ দুই আসামি তার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং জানান টাকা না দিলে মিটার সংযোগ দেয়া হবে না বলে জানায়। গ্যাস বন্ধ থাকায় ব্যবসার ক্ষতির কথা বিবেচনা করে তিনি নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে রাজি হন।

২০০৭ সালের ১০ জুন বেলা ৪টার দিকে কামরুজ্জামান দুই হাজার টাকা এবং ১৩ জুন বিকেল পৌনে ৪টার দিকে আব্দুর রহিম সাত হাজার টাকা প্রতিষ্ঠানের সহকারী হিসাব রক্ষক মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে নিয়ে যায়। বাকি টাকা মিটার সংযোগের দিন দেয়ার জন্য আসামিরা চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তা দিতে রাজি হন।

আসামিরা জানায়, ১৪ জুন মিটার সংযোগ দেয়া হবে। আসাদুজ্জামান আওলাদ বিষয়টি র‌্যাব-১ কার্যালয়ে জানায়। বেলা তিনটার দিকে আসামিরা মিটার সংযোগ দিতে আসলে র‌্যাব সাদাপোশাক পড়ে আশেপাশে অবস্থান নেয়। কাজ শেষে বাকি ৬ হাজার টাকা দাবি করলে আওলাদ তার ম্যানেজার মকবুলের কাছে নিতে বলেন। টাকা নেয়ার সময় র‌্যাব তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

এ ঘটনায় ডি এম আসাদুজ্জামান আওলাদ ২০০৭ সালের ১৫ জুন মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক জাহিদ হোসেন দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়। মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত চার্জশিটভূক্ত ৮ সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ