সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গেই ভ্যাকসিন আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন বাজারজাতের অনুমোদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি দেশে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ শনিবার মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ শনাক্তকারী আরটি পিসিআর ল্যাব উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে সরকার অক্সফোর্ডের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী ইন্ডিয়া থেকে আমাদের দেশের জন্য টিকা নেওয়া হবে। তারা যখনই ভ্যাকসিন উৎপাদন ও বাজারজাতের অনুমোদন পাবে, সঙ্গে সঙ্গে সেটি আমাদের দেশে আনা হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে দেশের সবাইকে সেটি দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, করোনার সংক্রমণে বিশ্বের প্রতিটি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেসব দেশে সংক্রমণের হার বেশি ছিল, সেসব দেশে নেমে এসেছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়। এতে সামাজিক অস্থিরতা, দরিদ্রতা ও বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই তুলনায় আমাদের দেশের অবস্থা অনেক ভালো রয়েছে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে ঋণাত্মক অবস্থায় যেতে চাই না। যেমনটা ভারতে হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যে ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে, বাংলাদেশের রোগীরাও একই ওষুধ পাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া ওষুধ বাংলাদেশের রোগীদেরও দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সম্পর্কে ধারণা ছিল না জানিয়ে তিনি আরো বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের কী চিকিৎসা দিতে হবে তা কোনো দেশেরই জানা ছিল না। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। এমনকি আক্রান্তদের শনাক্তে ছিলো না উন্নতমানের ল্যাবও। কিন্তু এখন আমাদের দেশের অনেকগুলো আরটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে। যেখানে সম্ভাব্য রোগীদের করোনা শনাক্ত করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ১১৫টি আরটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, রোগীদের করোনাভাইরাস শনাক্তে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দিতে প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ