সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

আর্মেনিয়াকে মানবতা দেখাল আজারবাইজান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আর্মেনিয়াকে নাগর্নো-কারাবাখের সীমান্তবর্তী কালবাজার জেলা থেকে সরে যাওয়ার জন্য আজারবাইজান আরো ১০ দিন সময় দিয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সহযোগী হিকমেট হাজাইয়েভ।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দখলকৃত জেলাটি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে ইয়েরেভান রাশিয়ার মাধ্যমে আরো সময় চেয়েছে। মানবতার পরিচয় দিয়ে আজারবাইজান তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেছে।

চরম খারাপ আবহাওয়ার কারণে, আর্মেনিয়ার দিকে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা জোড-ভারনেইনস অত্যন্ত সরু হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আজারবাইজান আর্মেনিয়াকে তার নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার জন্য আরো সময় দিয়েছে, যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলে প্রায় ৬০ হাজার আজারবাইজানি বসবাস করতো। গত ২৭ বছর আগে এলাকাটি দখলের সময় তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই লোকগুলো আজারবাইজানের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যায়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে অঞ্চলটি নিয়ে বিবাধ সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে ১৯৯৩ সালে জেলাটি দখল করে নেয় আর্মেনীয় বাহিনী।

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে এতদিন পর্যন্ত সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীর হাতে। অন্যদিকে, নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করে অঞ্চলটির বাসিন্দারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় আইনগতভাবে সেটি আজারবাইজানেরই থেকে যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ