শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে রাজকীয় বিদায় ৬ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের   বাংলাদেশ কওমী যুব ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি, আহ্বায়ক সাখী সদস্য সচিব তানজিল কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের  সৌদি আরব গেছেন সিরাত অলিম্পিয়াডের ওমরাহ বিজয়ী নাজিফা খান   ‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ সম্পর্কে যে তথ্য দিলেন পুলিশ বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির্জা আব্বাসের অশ্রুসিক্ত বক্তব্যে থমকে গেল সংসদ ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধন শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুক্ত হচ্ছে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে সাংবাদিকদের বেতন নিয়মিতকরণের দাবিতে বিএফ‌ইউজে এবং ডিইউজের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ

মেয়র এম এ মান্নানের এক বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় এ বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মান্নান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আপিল সত্ত্বেও জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এছাড়া একই মামলায় গোলাম কিবরিয়া নামে এক আসামিকে খালাস দেন আদালত।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালে (২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৯৯৯টি ভুয়া ভাউচারের অনুদান ও ব্যয় দেখিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ত্রাণ এবং দরিদ্র তহবিল থেকে ৪৯ লাখ ১ হাজার ৮৪৮ টাকা আত্মসাৎ করেন এম এ মান্নান। এ ঘটনায় দুদকের উপসহকারী পরিচালক শামসুল আলম ২০১৬ সালের ২৩ জুন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় মান্নান ও তার সহযোগী গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করেন।

২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারি মান্নান ও গোলাম কিবরিয়ার নামে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এরপর গাজীপুরে স্পেশাল জজ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে বদলি করেন। ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত। এ মামলায় বিভিন্ন সময় ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ