বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

মুসলিম মেয়েদের শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: মোদি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারত সরকার সে দেশের মুসলিম মেয়েদের শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের দিকে মনোনিবেশ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বখ্যাত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, টয়লেট না থাকার কারণে মুসলিম মেয়েদের ঝরে যাওয়ার হার ৭০ শতাংশেরও বেশি ছিল। সেজন্য বর্তমান সরকার ‘পরিষ্কার ভারত’ মিশনের আওতায় স্কুলগামী মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেট তৈরি করেছে। যার ফলে মুসলিম মেয়েদের স্কুল ড্রপ হ্রাস পেয়েছে অন্তত ৩০ শতাংশ।

সরকার মুসলিম মেয়েদের শিক্ষা এবং তাদের ক্ষমতায়নে খুব মনোযোগী জানিয়ে তিনি বলেন, গত ছয় বছরে প্রায় এক কোটি (১০ মিরিয়ন) মুসলিম মেয়ে শিক্ষার্থীকে সরকার বৃত্তি দিয়েছে। লিঙ্গের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য হওয়া উচিত নয়। প্রত্যেকের সমান অধিকার পাওয়া এবং সবাইকে দেশের উন্নয়নের সুবিধা দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, গত কয়েক দশকের মধ্যে মোদি হলেন ভারতের প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী, যিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিয়েছেন।

মোদি উনিশ শতকের সংস্কারক ও চিন্তাবিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তি তার দেশের বিষয়ে উদ্বিগ্ন, তার প্রথম এবং সবার আগে কর্তব্য হলো মানুষের কল্যাণে কাজ করা।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, দেশ এমনভাবে এগিয়ে চলেছে যেখানে প্রতিটি নাগরিককে তার সংবিধান প্রদত্ত অধিকার সম্পর্কে আশ্বাস দেয়া হয় এবং ধর্মের কারণে কাউকে পেছনে রাখা হয় না। কোনো বৈষম্য ছাড়াই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে সরকার সুবিধা দিচ্ছে। নতুন ভারতে জাতি ও সমাজের উন্নয়নকে রাজনৈতিক দিক থেকে দেখা উচিত নয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ